রাজধানীর মোহাম্মদপুরের ইকবাল রোডের বাসিন্দা সালমা সুলতানা। বেড পাননি বলে বেসরকারি তিনটি ও সরকারি দুটি হাসপাতালে ভর্তি হতে চেয়েও পারেননি। অগত্যা বাসাতেই করোনার চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হলো। কিন্তু মাকে চিকিৎসা দিতে গিয়ে ছেলে তানভীর হায়দার এবং ছেলের বউ আফরোজা নাজনীনও হলেন সংক্রমিত।
তানভীর বলেন, ‘মায়ের সঙ্গে আমিই হাসপাতালে থাকতাম। তাতে আমি হয়তো আক্রান্ত হতাম। কিন্তু আফরোজা হতো না। এখন সে আক্রান্ত হওয়ায় আমাদের তিন ছেলে-মেয়েও ঝুঁকিতে পড়লো।’
সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন
We use cookies to ensure you get the best experience on our website.