পরিবেশ অধিদফতর ও জেলা প্রশাসনের অনুমতি ছাড়াই মেহেরপুরের গাংনী উপজেলার বিভিন্ন স্থানে প্রতিবছর নতুন নতুন ইটভাটা গড়ে উঠছে। আর এসব ইটভাটায় পোড়ানো হচ্ছে জ্বালানি কাঠ। ইটভাটার কালো ধোঁয়ায় দূষিত হচ্ছে এলাকার পরিবেশ। এসব ইটভাটায় ব্যবহার করা হচ্ছে আবাদির জমির ‘টপ সোয়েল’ (মাটির উপরিভাগ)।
এতে করে নষ্ট হচ্ছে আবাদি জমি। গাংনী উপজেলায় ৪০ ইটভাটা রয়েছে। সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, একটি ইটভাটা তৈরি করতে কমপক্ষে ৭-৮ একর জমির প্রয়োজন হয়। চড়া দাম পেতে জমির মালিক মাটির ওপরের অংশ (এক থেকে দেড়ফুট) বিক্রি করে দেন। এতে করে ফসলি জমির উর্বর শক্তি নষ্ট হয়।
সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন
We use cookies to ensure you get the best experience on our website.