জাতিসংঘের টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে বীমার ভূমিকা
এসডিজি বা টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা, যা বৈশ্বিক লক্ষ্য (Global Goal) হিসেবেও পরিচিত, ২০১৫ সালে জাতিসংঘের সব সদস্য দেশ দারিদ্র্য দূর করে পৃথিবীকে রক্ষা করতে এবং ২০৩০ সালের মধ্যে সব মানুষ শান্তি ও সমৃদ্ধি উপভোগ করার বিষয়টি নিশ্চিত করার জন্য সর্বজনীন আহ্বান হিসেবে গৃহীত হয়েছিল।
প্রথম লক্ষ্য—সর্বত্র সব মানুষের জন্য দারিদ্র্যের সম্পূর্ণ অবসান SDG-এর লক্ষ্যগুলোর মধ্যে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ, যা অন্যান্য লক্ষ্য অর্জনেও সহায়ক ভূমিকা রাখে। মধ্যম ও নিম্ন আয়ের যারা বীমা নেয়, তারা যখন কোনো প্রচণ্ড ধাক্কা খায় বা বিপদে পড়ে আবার দারিদ্র্যে নিপতিত হয়, বীমা তাদের দারিদ্র্যের হাত থেকে রক্ষা করে। যাদের বীমা থাকে না, তারা যখন বিপদে পড়ে প্রায়ই সঞ্চয় ভেঙে ফেলে, আত্মীয়-পরিজনের কাছ থেকে ঋণ নেয় বা NGO/ব্যাংক থেকে উচ্চসুদে ঋণ নেয়, ফলে পরিবারের ভরণ-পোষণে মিতব্যয়ী হয়, কখনো নামমাত্র মূল্যে সম্পদ বিক্রি করে দেয়। ক্ষুদ্র বীমার মাধ্যমে যখন আর্থিক অন্তর্ভুক্তিমূলক ব্যবস্থা হয়, তখন ক্ষুদ্রঋণ বীমা, কৃষি বীমার মাধ্যমে গরিব ও মধ্যম আয়ের মানুষের জন্য নিরাপত্তাবেষ্টনী তৈরি হয় এবং দারিদ্র্য হ্রাস পায়।
সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন
We use cookies to ensure you get the best experience on our website.