একই ধরনের অনৈতিক ও আইনবহির্ভূত কাজ যদি বারবার হতে থাকে, তখন তা সহনীয় হয়ে যায়। জনগণ তা নিয়ে আর মাথা ঘামায় না। সে ব্যাপারে তাদের কোনো প্রতিক্রিয়াও থাকে না। যেমনটি হয়েছে বাংলাদেশের বিভিন্ন জাতীয় ও স্থানীয় নির্বাচনে। সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতা পালিত হচ্ছে ধর্মীয় আচারের মতো, আনুষ্ঠানিকতার লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য থাকছে অপূর্ণ। গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় নির্বাচনের লক্ষ্য হলো নির্দিষ্ট এলাকার ভোটাররা তাঁদের একজন প্রতিনিধি বেছে নেবেন একাধিক প্রার্থীর ভেতর থেকে। নির্বাচনে বিজয় এবং পরাজয় খুব স্বাভাবিক ব্যাপার—কম ভোটারের সমর্থন পাওয়া কিছুমাত্র অমর্যাদা বা লজ্জার বিষয় নয়।
গত পাঁচ সপ্তাহে পৌরসভার তিন ধাপের নির্বাচন সম্পন্ন হলো। প্রথম ধাপের তফসিলের ২৪টি পৌরসভার নির্বাচন হয়েছে ২৮ ডিসেম্বর। সেগুলোতে ভোট হয়েছে ইভিএমে।
সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন
We use cookies to ensure you get the best experience on our website.