ধান ও আমের আবাদ ছেড়ে বিদেশি ফল মাল্টার চাষ? প্রথম প্রথম লোকসানের আশঙ্কায় চাষিরা এগোতে চাইছিলেন না। এমন অবস্থায় এগিয়ে এলেন শুধু একজন ওবায়দুল্লাহ শাহ। সেটি ২০১৬ সালের কথা। তিনি বাগানের অল্প জমিতে মাল্টা চাষ করলেন। ফলন ও দাম দুই–ই ভালো। এতে উৎসাহিত হলেন এলাকার অন্য চাষিরা। বদৌলতে নওগাঁর পোরশা উপজেলায় পাঁচ বছরে বাণিজ্যিকভাবে মাল্টার ২০০টি বাগান গড়ে উঠেছে। আর বাগানমালিকের সংখ্যা প্রায় ১৫০।
ওবায়দুল্লাহ শাহ বলেন, ‘আমার এক ভাগনে প্রথমে আমাকে মাল্টার বাগান করার পরামর্শ দেয়। এ কথা এলাকার অন্যদের জানালে তাঁরা উৎসাহ দেখাননি। আমি একাই আবাদ শুরু করি। সাফল্য দেখে পরে অন্যরা মাল্টা চাষের জন্য আমার কাছে পরামর্শ চাইতে আসেন।’
সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন
We use cookies to ensure you get the best experience on our website.