কুইক লিঙ্ক : মুজিব বর্ষ | করোনা ম্যাপ | করোনা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাব

আজ উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী

মানবজমিন প্রকাশিত: ২৩ জানুয়ারি ২০২১, ০০:০০

‘মুজিব শতবর্ষে বাংলাদেশের একজন মানুষও গৃহহীন থাকবে না’- প্রধানমন্ত্রীর এই নির্দেশনা অনুযায়ী সারা দেশে ভূমিহীন ও গৃহহীনদের জন্য স্বপ্নের নীড় তৈরি করা হয়েছে। আজ সারা দেশের জেলা ও উপজেলায় নির্মিত এসব ঘরের চাবি আনুষ্ঠানিক ভাবে হস্তান্তর করবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। গণভবন থেকে ভার্চুয়াল মাধ্যমে এক যোগে হস্তান্তর অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করবেন তিনি। বিস্তারিত আমাদের প্রতিনিধিদের পাঠানো রিপোর্টে-হবিগঞ্জে ৩২৫ পরিবারস্টাফ রিপোর্টার, হবিগঞ্জ থেকে: শনিবার গৃহহীনদের বহুল কাঙ্ক্ষিত ৩২৫টি ঘর হস্তান্তর করবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। সিলেট বিভাগের মধ্যে একমাত্র হবিগঞ্জ জেলার চুনারুঘাট উপজেলায় ঘর হস্তান্তর অনুষ্ঠানে সরাসরি যুক্ত হবেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি উপকারভোগীদের কথা শুনবেন ও তাদের উচ্ছাস সরাসরি উপলব্দি করবেন। অনুষ্ঠানে সরাসরি উপস্থিত থাকবেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী অ্যাডভোকেট মাহবুব আলী এমপি। এ ব্যাপারে ব্যাপক প্রস্তুতি নিয়েছে জেলা প্রশাসন। স্বপ্ন ছোঁয়ার অপেক্ষায় রয়েছেন হবিগঞ্জের ৭৮৭টি গৃহহীন পরিবার। আজ প্রথম ধাপে প্রধানমন্ত্রীর দেওয়া উপহার পরিপাটি ঘর পাবেন ৩২৫টি পরিবার। দ্বিতীয় ধাপে পাবেন বাকিরা।এ ব্যাপারে জেলা প্রশাসক কামরুল হাসান জানান, প্রতিটি ঘর নির্মাণে বরাদ্দ দেয়া হয়েছে ১ লাখ ৭১ হাজার টাকা। আর প্রতিটিতে পরিবহন ব্যয় হিসেবে দেয়া হয়েছে আরও ৪ হাজার টাকা। ঘরগুলো ইতিমধ্যেই প্রস্তুত হয়ে উঠছে। ২৩শে জানুয়ারি প্রথম ধাপে ৩২৫টি ঘর হস্তান্তরের জন্য প্রস্তুত করা হয়েছে। বাকিগুলোর কাজ শেষ হতে আরও কিছু সময় লাগবে। পরিবারের নিকট গৃহ হস্তান্তর কার্যক্রমের উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।কুলাউড়ায় ১১০ পরিবারকুলাউড়া (মৌলভীবাজার) প্রতিনিধি: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উপহার হিসেবে মাথা গোঁজার ঠাঁই ভূমিসহ একটি পরিপূর্ণ ঘর পাচ্ছেন মৌলভীবাজারের কুলাউড়া উপজেলার ১১০ ভূমিহীন ও গৃহহীন পরিবারের মানুষ। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে তৈরি হচ্ছে এসব গৃহহীনদের জন্য স্বপ্নের বাড়ি। চারিদিকে ইটের দেয়াল এবং মাথার ওপরে দেয়া হচ্ছে সবুজ টিনের ছাউনি। তাদের সেই কাঙ্ক্ষিত স্বপ্ন বাস্তবে প্রতিফলিত হচ্ছে আজ। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে সার দেশের ন্যায় কুলাউড়ায় নির্মিত এই ঘরগুলোও উদ্বোধন করবেন। প্রধানমন্ত্রীর এই কার্যক্রমকে সফল করতে স্থানীয় প্রশাসন বিরামহীনভাবে পরিশ্রম করে যাচ্ছেন। এর আগে গৃহনির্মাণ কাজ পরিদর্শন করে গেছেন প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের পরিচালক (উপ-সচিব) মো. আলী নেওয়াজ রাসেল, মৌলভীবাজারের জেলা প্রশাসক মীর নাহিদ আহসান। উপজেলা নির্বাহী অফিসার এটিএম ফরহাদ চৌধুরী এই প্রতিবেদককে বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী উপলক্ষে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ উপহার হিসেবে সারা দেশের ন্যায় কুলাউড়ায় ১১০ ভূমিহীন ও গৃহহীনদের জন্য ঘর নির্মাণ করা হয়েছে। উপজেলা টাস্কফোর্স কমিটির মাধ্যমে উপকারভোগী নির্বাচন করা হয়। ঘরের কাজ শেষ এখন শুধু আনুষ্ঠানিকভাবে উপকারভোগীদের কাছে স্বপ্নের বাড়িগুলো হস্তান্তর করা হবে। রাজনগরে ৯৮ পরিবাররাজনগর (মৌলভীবাজার) প্রতিনিধি: ছিল না কোনো জমি। ছিল না কোনো ঘর। অন্যের জমিতে বাঁশপালা দিয়েই ছিল মাথা গোঁজার ঠাঁই। বৃষ্টিতে যে দিকে পড়তো জলের ধারা সেদিকেই দেখা যেতো আকাশের পূর্ণিমার চাঁদ। নুন আনতে যার পান্তা ফুরায় পাকা ঘরের স্বপ্ন দেখা যেন আকাশ কুসুম। যেন ‘ছিড়া কাথার নিচে থেকে লাখ টাকার স্বপ্ন দেখা’। এমন অবাস্তর বিষয়টিই আজ বাস্তব; নুন আনতে যার পান্তা ফুরাতো আজ সে নতুন পাকা ঘরে। ভয় নেই ঘরে থেকে বৃষ্টিতে ভেজার। আশ্রয়ন-২ প্রকল্পের আওতায় রাজনগর উপজেলার ৮টি ইউনিয়নের ৯৮টি ভূমিহীন পরিবার পাচ্ছে মাথা গোঁজার ঠাঁই। ১ লাখ ৭১ হাজার টাকা ব্যয়ে দুই কক্ষের এসব ঘর প্রস্তুত। হস্তান্তরের যাবতীয় প্রক্রিয়া শেষ। শনিবার প্রধানমন্ত্রীর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধনের মাধ্যমে ঘরের চাবি ও কাগজ বুঝে পাবেন আশ্রয়হীন এসব পরিবার। শরণখোলায় ১৯৭ পরিবার শরণখোলা (বাগেরহাট) প্রতিনিধি: প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের আশ্রয়ন প্রকল্প-২ এর আওতায় বাগেরহাটের শরণখোলা উপজেলার চারটি ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রামের ভূমিহীন ও গৃহহীন পরিবার সরকারি খাস জমিতে দুই কক্ষ বিশিষ্ট রঙিন টিনের ছাউনিযুক্ত সেমিপাকা ১৯৭টি  ঘর পেতে যাচ্ছেন। দরিদ্র জনগোষ্ঠীর ঘর নির্মাণ নিয়ে যাতে কোনো অনিয়মের অভিযোগ না ওঠে সেজন্য কয়েক পর্বে যাচাই-বাছাই শেষে তৈরি করা হচ্ছে প্রকৃত ভূমিহীন ও গৃহহীন ব্যক্তিদের নামের তালিকা এবং ঘরগুলোর নির্মাণ কাজ তদারকি করছেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সরদার মোস্তফা শাহিন। আমতলীতে ৫২ পরিবার  আমতলী (বরগুনা) প্রতিনিধি: মুজিব জন্মশতবর্ষ উপলক্ষে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বপ্ন ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রতিশ্রুতি প্রতিটি ঘরহীন মানুষকে ঘর তৈরি করে দেয়ার সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের লক্ষ্যে  বরগুনার আমতলী  উপজেলার ৫২ জন গৃহহীন পরিবারের জন্য গৃহনির্মাণ করা হয়েছে। সবকিছু ঠিক থাকলে আজ ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে এ কার্যক্রমের উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী। জানা যায়, বরগুনা জেলা  প্রশাসনের তত্ত্বাবধানে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. আসাদুজ্জামানের  নেতৃত্বে সহকারী কমিশনার (ভূমি) নিশাত তামান্নার  কঠোর তদারকিতে নির্মাণ কাজ সম্পন্ন করা হচ্ছে। রূপগঞ্জে ৫শ’ পরিবারস্টাফ রিপোর্টার, রূপগঞ্জ থেকে:  নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে ভূমিহীন ও গৃহহীন প্রায় ৫শ’ পরিবার পাবে মুজিববর্ষ উপলক্ষ্যে প্রধানমন্ত্রীর উদ্যোগে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের অর্থায়নে আশ্রয়ণ প্রকল্প-২ এর অধীনে নির্মিত এসব ঘর। শীতলক্ষ্যা নদীর তীর ঘেঁষে ৫০ শতাংশ জমি নিয়ে দড়িকান্দি এলাকায় প্রাকৃতিক মনোরম পরিবেশে নির্মিত আবাসন প্রকল্পের জমি ও গৃহ বিতরণ কার্যক্রম আজ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে উদ্বোধন করবেন। এরপর পর্যায়ক্রমে উপজেলা প্রশাসনের মাধ্যমে আধুরিয়া ও কাঞ্চন পৌর এলাকায় ভূমিহীন ও গৃহহীন পরিবারের মাঝে নির্মিত ৪৯৮টি টিনশেড ঘর হস্তান্তর করা হবে। এ ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শাহ্‌ নুসরাত জাহান বলেন, মুজিববর্ষ উপলক্ষ্যে প্রধানমন্ত্রীর উদ্যোগে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের অর্থায়নে আশ্রয়ণ প্রকল্প-২ বাস্তবায়ন করা হয়েছে। মাগুরায় ১১৫ পরিবারমাগুরা প্রতিনিধি: মাগুরায় মুজিববর্ষে প্রধানমন্ত্রীর উপহার পাচ্ছে ১১৫টি ভূমিহীন ও গৃহহীন পরিবার। ‘বাংলাদেশের একজন মানুষও গৃহহীন থাকবে না।’ মুজিববর্ষ উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার এ নির্দেশনা বাস্তবায়নে মাগুরাসহ দেশের সকল জেলায় ভূমিহীন ও গৃহহীনদের জমি ও গৃহ প্রদান কার্যক্রম গ্রহণ করা হয়েছে। এই কার্যক্রমের আওতায় প্রথম পর্যায়ে মাগুরার ১১৫টিসহ সারা দেশে ৬৬ হাজার ১৮৯টি ঘরের নির্মাণ কাজ শেষ হয়েছে। মাগুরায় ১১৫টি ঘরের মধ্যে সদর উপজেলায় ১৫টি, শ্রীপরে ২০টি, শালিখায় ৫০টি এবং মহম্মদপুর উপজেলায় ৩০টি ঘর পাচ্ছেন উপকারভোগীরা। প্রতিটি পরিবারের নামে ২ শতক খাস জমি বরাদ্দ দিয়ে এ সকল ঘর  নির্মাণ করা হয়েছে। প্রতিটি ঘর নির্মাণের জন্য ব্যয় হয়েছে ১ লাখ ৭১ হাজার টাকা। পুঠিয়ায় ৫৪ পরিবারপুঠিয়া (রাজশাহী) প্রতিনিধি: প্রধানমন্ত্রীর আশ্রয়ণ প্রকল্প-২ এর আওতায় ভূমিহীন ও গৃহহীন পরিবার পাচ্ছে তাদের নতুন ঠিকানা। গৃহহীন পরিবারের জন্য সরকারি খাস জমিতে গৃহ নির্মাণের কাজ শেষ হয়েছে। ঘরের পাশাপাশি ২ শতাংশ জমিও পাবেন গৃহহীনরা। আজ সারা দেশে একযোগে প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা তার কার্যালয় থেকে গৃহ ও ভূমিহীন পরিবারের মাঝে এ প্রকল্পটির ঘর হস্তান্তর উদ্বোধন করবেন। এরপরেই গৃহহীন পরিবারগুলো তাদের ‘স্বপ্নের ঘর’ বুঝে পাবেন।গতকাল সকাল ১০টায় বারইপাড়ায় ‘তালুকদার গ্রাম আশ্রয়ণ-২ প্রকল্পে’ এ উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান জিএম হিরা বাচ্চু, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) নুরুল হাই মোহাম্মদ আনাছ পিএএ ও প্রকল্প সংশ্লিষ্টরা সরজমিনে কাজের সার্বিক বিষয় পরিদর্শনসহ ভূমি ও গৃহহীনদের মাঝে প্রধানমন্ত্রীর দেয়া উপহার পাকা ঘর বিতরণ পূর্বক স্থানীয় ইলেকট্রনিক ও প্রিন্ট মিডিয়ার সংবাদকর্মীদের সঙ্গে মতবিনিময় ও প্রেস ব্রিফিং সভায় এসব কথা জানান।কেন্দুয়ায় ৫০ পরিবারকেন্দুয়া (নেত্রকোনা) প্রতিনিধি: জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবর্ষ বার্ষিকী উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রীর উপহার হিসেবে নেত্রকোনার কেন্দুয়া উপজেলার গৃহহীন ও ভূমিহীনদের জন্য প্রথম ধাপে নির্মিত হচ্ছে ৫০টি পাকা ঘর। ইতিমধ্যে প্রায় শেষ হয়েছে ঘর নির্মাণের কাজ। প্রধানমন্ত্রীর ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে ২৩শে জানুয়ারি দেশের অন্যান্য জেলা-উপজেলাসহ একযোগে হস্তান্তর করা হবে কেন্দুয়ায় নির্মিত এসব পাকা ঘরের চাবি। চাবি পেয়ে উপকারভোগীরা উঠবেন নতুন ঠিকানায়। শুরু হবে তাদের নতুন দিনের পথচলা। এ যেন এক মহাখুশির দিনের অপেক্ষা।চিলমারীতে ১০০ পরিবারচিলমারী (কুড়িগ্রাম) প্রতিনিধি: দুঃখের সময়কে সরিয়ে কখন দেখা দিবে সুখের ছোয়া তা যেমন কেউ বলতে পারে না। ঠিক তেমনি ভূমিহীন ও গৃহহীনরা কখনো ভাবেনি তারা পাবে সুখের আশ্রয় পাবে ভূমিসহ দালানঘর। সেই স্বপ্ন পূরণের পথে চিলমারীর ১শ’ পরিবারের। তারা প্রধানমন্ত্রীর উপহার দালানঘরে সুখের স্বপ্ন বুনার অপেক্ষায়।জানা গেছে, মুজিববর্ষ উপলক্ষে প্রথম পর্যায়ে কুড়িগ্রামের চিলমারীতেও প্রধানমন্ত্রীর উপহার আশ্রয় পেতে যাচ্ছেন ১শ’ ভূমিহীন ও গৃহহীন পরিবার। ভূমিহীন ও গৃহহীন এসব পরিবারের মাঝে কবুলিয়তসহ প্রয়োজনীয় কাগজপত্র হস্তান্তর করা হবে শনিবার। মেহেরপুরে ৬৩ পরিবারমেহেরপুর প্রতিনিধি: মেহেরপুরের গাংনী উপজেলার চেংগাড়া গ্রামের ষাটোর্ধ্ব জিন্নাত আলী। পেশায় ছিলেন একজন কাঠুরিয়া। সংসারে রয়েছে স্ত্রী ও দুই মেয়ে। বছর পনের আগে হঠাৎ পঙ্গু হয়ে পড়েন তিনি। আয়-রোজগারের পথটি বন্ধ হয়ে যায় তার। সেই সঙ্গে বন্ধ হয়ে যায় দ’বেলা দু’মুঠো ভাতের নিশ্চয়তা। শেষ পর্যন্ত বাড়ি বাড়ি ঝিয়ের কাজ করে কোনোমতে সংসারের চাকা সচল রাখেন জিন্নাত আলীর স্ত্রী পারুলা খাতুন। এ অবস্থায় একটি ঝুপড়ি ঘরে প্রকৃতির সঙ্গে সংগ্রাম করে গোটা পরিবারটি বেঁচে আছেন। অবশেষে মুজিব শতবর্ষে জিন্নাত আলীকে একটি ঘর উপহার দিচ্ছেন সরকার। এদিকে রামনগর গ্রামের আব্দুর রশীদের স্ত্রী তহমিনা খাতুনও পাচ্ছেন একটি দুর্যোগ সহনীয় ঘর। বছর পাঁচেক আগে আব্দুর রশীদ পঙ্গুত্ব বরণ করেন। নিজের কোনো জমি নেই। অন্যের জমিতে একটি ঝুপরি ঘরে তার বসবাস। শুধু জিন্নাত আলী কিংবা তহমিনা নয়, তার মতো জেলার ৬৩টি অসহায় ও ভূমিহীন পরিবার পাচ্ছেন দুর্যোগ সহনীয় ঘর।কিশোরগঞ্জে ৬১৬ পরিবার স্টাফ রিপোর্টার, কিশোরগঞ্জ থেকে: ‘মুজিব শতবর্ষে বাংলাদেশের একজন মানুষও গৃহহীন থাকবে না’- প্রধানমন্ত্রীর এই নির্দেশনা অনুযায়ী কিশোরগঞ্জ জেলায় ৬১৬টি ভূমিহীন ও গৃহহীন পরিবারকে জমি ও গৃহ প্রদান করা হচ্ছে। এ উপলক্ষে বৃহস্পতিবার সকালে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে সাংবাদিকদের সাথে এক মতবিনিময় সভা করেছে জেলা প্রশাসন। এতে প্রধান অতিথি ছিলেন জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ শামীম আলম। অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) দুলাল চন্দ্র সূত্রধরের সভাপতিত্বে মতবিনিময় সভায় বিশেষ অতিথি ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর উপ-প্রেস সচিব কে এম শাখাওয়াত মুন। ফুলবাড়ীয়ায় ৫০ পরিবার ফুলবাড়ীয়া (ময়মনসিংহ) প্রতিনিধি: ফুলবাড়ীয়ায়  ‘মুজিববর্ষ’ উপলক্ষে উপজেলার ভূমিহীন ও গৃহহীন ৫০ পরিবার ২ শতক কবুলিয়াত রেজিস্ট্রি দলিলসহ ৫ রুম বিশিষ্ট একটি করে পাকা বাড়ি পাচ্ছেন। আগামী ২৩ জানুয়ারি ফুলবাড়িয়াতেও এসকল বাড়ী সংশ্লিষ্টদের কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে হস্তান্তর হবে বলে জানিয়েছেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার আশরাফুল ছিদ্দিক।পঞ্চগড়ে ১০৫৭ পরিবারপঞ্চগড় প্রতিনিধি: মুজিববর্ষে প্রধানমন্ত্রীর উপহার হিসেবে পঞ্চগড় জেলায় এক হাজার ৫৭টি ভূমিহীন ও গৃহহীন পরিবার পাচ্ছেন জমিসহ আধা পাকা বাড়ি। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে শনিবার সকালে সকল উপজেলায় একযোগে এসব ঘর হস্তান্তর কার্যক্রম উদ্বোধন করবেন। আনুষ্ঠানিক উদ্বোধনের পর এসব ঘরের জায়গার কবুলিয়ত, সনদ ও খারিজ তুলে দেয়া হবে। গতকাল বৃহস্পতিবার দুপুরে জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে জেলা প্রশাসক ড. সাবিনা ইয়াসমিন এসব তথ্য জানান।সংবাদ সম্মেলনে জেলা প্রশাসক বলেন, পঞ্চগড় জেলার এক হাজার ৫৭টি ভূমিহীন ও গৃহহীন পরিবারের মধ্যে সদর উপজেলায় ২০৮, দেবীগঞ্জে ৫৮২, বোদায় ৫৫, আটোয়ারীতে ৭০ ও তেঁতুলিয়া উপজেলায় ১৪২ জন এসব ঘর পাচ্ছেন। প্রতিটি ঘর নির্মাণে ব্যয় হয়েছে এক লাখ ৭১ হাজার টাকা। এ জন্য ১৮ কোটি ৭ লাখ ৪৭ হাজার টাকা বরাদ্দ দেয়া হয়। এসব ঘর খাস জমি ও দানকৃত জমিতে নির্মাণ করা হয়েছে। একটি পরিবারের জন্য দুই রুম বিশিষ্ট সেমি পাকা ঘরে থাকবে রান্না ঘর, বাথরুম ইউটিলিটি রুম ও সামনে খোলা বারান্দা। বরাদ্দকৃত টাকার বাইরে মন্ত্রী, সংসদ সদস্য, উপজেলা চেয়ারম্যান ও জেলা-উপজেলা প্রশাসনের কর্মকর্তদের অর্থায়নে আরও ১১টি পরিবারকে ঘর বরাদ্দ দেয়া হবে। এসব ঘর নির্মাণে জেলা প্রশাসক, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক, উপজেলা নির্বাহী অফিসার, উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি), জেলা গৃহ নির্মাণ কমিটি, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কমিটি কাজের অগ্রগতি, প্লান, ডিজাইন ও মান সঠিক রেখে এসব গৃহ নির্মাণে নিয়মিত তদারকি করেছেন। সংবাদ সম্মেলনে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) আব্দুল মান্নান, সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আরিফ হোসেন, পঞ্চগড় প্রেসক্লাবের সভাপতি সফিকুল আলম সফিক, সাধারণ সম্পাদক সাইফুল আলম বাবু, জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক শহীদুল ইসলাম শহীদসহ প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন

প্রতিদিন ৩৫০০+ সংবাদ পড়ুন প্রিয়-তে

এই সম্পর্কিত

আরও