বঙ্গোপসাগরের উপকূলীয় অঞ্চলে ঘূর্ণিঝড় ও জলোচ্ছ্বাসগুলো বেশ প্রবল হয়ে থাকে; কখনো কখনো অতি প্রলয়ংকরী রূপে হানা দিয়ে বিপুল ধ্বংস সাধন করে। সিডর কিংবা আইলার মতো ভয়াল দুর্যোগের স্মৃতি বেশি পুরোনো নয়। সর্বশেষ গত বছর করোনা মহামারির মধ্যেই আঘাত হেনেছিল ঘূর্ণিঝড় আম্পান। খেয়ালি প্রকৃতির এই রুদ্র রূপ ও ধ্বংসাত্মক তাণ্ডবের সামনে আমাদের উপকূলীয় জেলাগুলোর প্রায় দুই কোটি মানুষের অবস্থা নিতান্ত অসহায়। ঘরবাড়ি, খেতের ফসল, জলাভূমির মাছ—সব ক্ষেত্রেই তারা ভীষণ ক্ষয়ক্ষতির শিকার হয়। অতীতকালে তারা প্রাণেও মারা পড়ত বিপুল সংখ্যায়, তবে এখন এই ট্র্যাজেডি অনেকটাই মোকাবিলা করা সম্ভব হয়।
আবহাওয়াবিজ্ঞানের অগ্রগতি, দুর্যোগের পূর্বাভাস প্রচারের ব্যবস্থার উন্নতি, জনসচেতনতা বৃদ্ধি এবং বিপৎকালে আশ্রয় নেওয়ার জন্য ঘূর্ণিঝড় আশ্রয়কেন্দ্র নির্মাণ করার ফলে এখন প্রাণহানি অনেক কম হয়। তবে ঘূর্ণিঝড় ও জলোচ্ছ্বাসের ঝুঁকিতে রয়েছে, এমন অনেক গ্রামের সব বাসিন্দার জন্য প্রয়োজনীয়সংখ্যক আশ্রয়কেন্দ্র এখনো নির্মাণ করা সম্ভব হয়নি।
সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন
We use cookies to ensure you get the best experience on our website.