You have reached your daily news limit

Please log in to continue


তৈরি হোক প্রতিবাদের সংস্কৃতি

তথ্যপ্রযুক্তির ব্যবহার বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে সাইবারজগতে নতুন নতুন অপরাধের পরিধি বেড়েছে। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে নির্যাতনের ধারাতেও এসেছে পরিবর্তন। ডিজিটাল জগতে যৌন হয়রানি এসবের মধ্যে একটি। কারও সম্মতি ছাড়া তার ব্যক্তিগত বা গোপনীয় কোনো ছবি বা ভিডিও ইন্টারনেটসহ ডিজিটাল মাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়া কিংবা ছড়িয়ে দেওয়া হবে বলে হুমকি দেওয়াও এই নির্যাতনের মধ্যে পড়ে। সামনাসামনি না হয়ে ডিজিটাল মাধ্যমে যে হয়রানি বা নির্যাতন হচ্ছে, সেটিকে ‘হালকা’ ধরনের নির্যাতন ভাবার কোনো কারণ নেই। যেকোনো যৌন নির্যাতন ও হয়রানির মতো ডিজিটাল জগতের এই নির্যাতনও অপরাধ এবং একই রকম অগ্রহণযোগ্য। জোর করে ছবি তুলতে বাধ্য করা হয় নারীকে, আবার অনুমতি ছাড়া বা নারীকে না জানিয়ে ছবি তুলে সেগুলো ইন্টারনেটে ছড়িয়ে দেওয়া হয়। এরকম ছবি ইন্টারনেটে ছড়িয়ে দেওয়ার হুমকিও দেয়। এই সবই একইরকম অপরাধ। আবার ধরা যাক, একজন নারীর ছবি যখন তোলা হলো, তখন হয়তো তার সম্মতি ছিল। কিন্তু ছবি তোলার সম্মতি মানে এই নয় যে, তা যেখানে–সেখানে প্রকাশ করার অনুমতিও দিয়ে দেওয়া হলো। তাঁকে না জানিয়ে যখন ইন্টারনেটে সেটি ছাড়া হলো, তখন অনেকেই বলে থাকেন, ‘মেয়েটা ওই ছবি তুলতে রাজি হলো কেন?’ খুব সতর্ক কাউকেও অনেক সময় বলতে শোনা যায়, ‘মেয়েটা কেন এমন কাজ করতে গেল?’
সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন