সুগত বসু মনে করেন, বিষয়টা খুবই দুঃখের। ইতিহাসের দৃষ্টান্ত দিয়ে ব্রাত্য বসু বলেন, একমাত্র বাংলাতেই এক ধরনের আন্তর্জাতিকতা আছে। যিনি এই আলোচনার অংশ, সেই বাবুল সুপ্রিয় আবার কোনও মন্তব্য করতে চান না।
তবে কেউ বলুন বা না বলুন, ইতিহাসগত ভাবে এটা সত্যি যে দিল্লি কেন্দ্রীয় সরকারে সেভাবে বাঙালির দাম দেয়নি। কেন্দ্রীয় সরকারে একদা দাপটের সঙ্গে ক্যাবিনেট মন্ত্রিত্ব করেছেন প্রণব মুখোপাধ্যায়, বরকত গনি খান, অজিত পাঁজা, সিদ্ধার্থশঙ্কর রায়। এ ছাড়াও ত্রিগুণা সেন বা দেবী চট্টোপাধ্যায়ের মতো কেউ কেউ অতীতে কেন্দ্রীয় সরকারে ক্যাবিনেট মন্ত্রী থেকেছেন। কিন্তু ২০১২ সালের জুলাই মাসে প্রণব রাষ্ট্রপতি হওয়ার পর সেভাবে কোনও বাঙালি কেন্দ্রীয় সরকারে ক্যাবিনেট মন্ত্রী হননি। তর্কের খাতিরে বলা যায়, প্রণব মন্ত্রিত্ব ছাড়ার পরেও বাঙালি হিসেবে কয়েক মাসের জন্য রেলমন্ত্রী ছিলেন মুকুল রায়। কিন্তু সেপ্টেম্বরে তৃণমূল ইউপিএ ছেড়ে বেরিয়ে আসায় সেই মন্ত্রিত্ব ছেড়ে আসতে হয়েছিল মুকুলকেও।
সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন
We use cookies to ensure you get the best experience on our website.