You have reached your daily news limit

Please log in to continue


‘শব্দ করলে একদম শেষ করে দেব’

তখন আমি ঢাকার আদমজী ক্যান্টনমেন্ট কলেজের একাদশ শ্রেণির ছাত্র। বনানী থেকে পায়ে হেঁটে সকাল দশটার দিকে কলেজে যাওয়ার পথে এয়ারপোর্ট রোডে ট্যাংক, ট্রাক ভর্তি উত্তেজিত সৈনিক এবং গোলাগুলির শব্দ সত্ত্বেও উত্ফুল্ল ও উত্কণ্ঠিত মানুষের স্রোত দেখলাম। কলেজে গিয়ে শুনলাম পাল্টা অভ্যুথানে মেজর জেনারেল খালেদ মোশাররফ বীর উত্তম নিহত হয়েছেন। তার মরদেহ কলেজের কাছেই ঢাকা কম্বাইন্ড মিলিটারি হসপিটাল (সিএমএইচ)-এর মর্গে রাখা আছে। মাত্র কয়েক সপ্তাহ আগে কলেজ পরিচালনা পরিষদের সভাপতি হিসেবে খালেদ মোশাররফকে কলেজের ক্যান্টিন ভবনের ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন করতে দেখেছি। এছাড়াও বনানীর সাত নম্বর রোডে আমাদের পাশের বাড়িতে ভাড়াটে, তার ভায়রা ভাই বিমান চালনা প্রশিক্ষক ক্যাপ্টেনকে কিউ হুদার বাসায় আসতে দেখেছি বহুবার। বনানীর বন্ধু ও সহপাঠী ফারুক (এনামুল হক খন্দকার, বর্তমানে কানাডার মন্ট্রিয়লে বসবাসরত) ও আরও কয়েকজন ছাত্র ঠিক করলাম কলেজের পরিচালনা পরিষদের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা খালেদ মোশাররফের মরদেহ শেষবারের মতো দেখে আসি।
সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন