প্যারিসের মূল আকর্ষণ হরো আইফেল টাওয়ার। প্যারিস গিয়ে ঐতিহাসিক এই টাওয়ারে ঘুরতে যায় না এমন কাউকে খুঁজে পাওয়া দুষ্কর। দিনের বেলায়ে আইফেল টাওয়ারের রূপ যেমন ঝলসে পড়ে ঠিক রাতেও চোখ ধাঁধিয়ে যায়।
বিশেষ করে রাতের প্যারিসের চোখ ধাঁধানো আইফেল টাওয়ারের রূপে পাগল হয়ে যাওয়ার উপক্রম হয় সবার। লাল বাতি নীল বাতির আলোয় মোড়া আইফেল হলো পৃথিবীর সপ্তম আশ্চর্যের মধ্যে অন্যতম এক আশ্চর্য।
কথায় বলে প্রেমের শহর প্যারিস। আলোর ধারায় ঝলমলিয়ে ওঠা আইফেল বহু মানুষের কাছে স্বপ্ন। রাতের অন্ধকার ম্লান হয়ে যায় আইফেল টাওয়ারের জৌলুসের কাছে। পৃথিবীর নানা প্রান্ত থেকে আসা পর্যটকরা ক্যামেরাবন্দি করেন সেই দৃশ্য।
তবে আকাশ ছোঁয়া এই লোহার টাওয়ারকে রঙিন আলোর জাদুতে যিনি সাজিয়ে তুলেছিলেন সেই নেপথ্যের শিল্পীরা আজীবন অন্ধকারেই থেকে যান। কেউ মনে রাখেননি তাদের। বিদেশ তো বটেই এমনকি তার নিজের দেশ তথা শহরও মনে রাখেনি এদের।
পৃথিবীর সপ্তম আশ্চর্যের অন্যতম হলো প্যারিসের গর্ব, আইফেল টাওয়ার। যাকে শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত আলোতে মুড়ে দিয়েছিলেন এক বাঙালি। পশ্চিমবঙ্গের হাওড়া ব্রিজকেও তিনিই সাজিয়েছিলেন আলোর মালায়।
সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন
We use cookies to ensure you get the best experience on our website.