শুরু নিউ নর্ম্যাল, ছোটদের সুরক্ষায় এই সব মানতেই হবে
ধুলো বালি মেখে খেলাধুলার দিন শেষ হয়েছিল আগেই। তবে নিউ নর্ম্যালের ক্ষেত্রে বিষয়টা আরও একটু মুশকিলের। কারণ মা-বাবাকে কাজে বেরতে হবেই। যদিও বাচ্চাদের কোভিডের আশঙ্কা বড়দের চেয়ে অনেক কম। কারণ যে বিশেষ রিসেপটরে ভর করে শরীরে হানা দেয় কোভিড-১৯, সেই এসিই-২ রিসেপটর, প্রাপ্তবয়স্কদের শ্বাসনালি, ফুসফুস, অন্ত্র, পাকস্থলী ইত্যাদি জায়গায় থাকলেও, শিশুর শরীরে এর সংখ্যা অনেক কম। ফলে তাদের রোগ কম হয়, জটিলতাও হয় না বিশেষ।
প্রাপ্তবয়স্ক কোভিড রোগীর মধ্যে যদি ৫ শতাংশ গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন, শিশুদের ক্ষেত্রে জটিলতা হয় ০.৮ শতাংশ ক্ষেত্রে, জানাচ্ছে সাম্প্রতিক গবেষণা। কাজেই বাচ্চারা তুলনামূলক সুরক্ষিত এমনটা বলা চলে। এ দিকে স্কুল বন্ধ, বাইরে বেরিয়ে খেলা বন্ধ। পরিবারের গুরুজনরাও শিশুদের ব্যাপারে অতিরিক্ত স্পর্শকাতর, এটা একটা ভাল দিক। বাইরে থেকে এসে সম্পূর্ণ স্যানিটাইজ না করা পর্যন্ত তাদের ধারেকাছে ঘেঁষতে দেন না বড়রা। কাজেই বাচ্চাদের বিপদ তুলনামূলকভাবে কম। আবার নানারকম ভ্যাকসিন দেওয়া হয় বলেও বিপদ কিছুটা কমতে পারে বলে জানিয়েছেন শিশুরোগ বিশেষজ্ঞ নিশান্তদেব ঘটক। বিশেষ করে এমএমআর ও বিসিজি ভ্যাকসিন কোভিড ঠেকাতে পারে মনে করা হচ্ছে, জানালেন চিকিৎসক।
সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন
We use cookies to ensure you get the best experience on our website.