করোনাভাইরাসে সংক্রমিত বেশির ভাগ রোগীরই মৃদু উপসর্গ থাকে। এই রোগীদের বেশির ভাগই বাড়িতে একটি নির্দিষ্ট ঘরে থেকে যথাযথ চিকিৎসা আর পর্যাপ্ত বিশ্রামে সুস্থ হয়ে ওঠেন। আইসোলেশনে থাকার দুই সপ্তাহ পর করোনা রোগীর পরীক্ষার রিপোর্ট নেগেটিভ এলে রোগী সংক্রমণমুক্ত হয়েছেন বলে নিশ্চিত হওয়া যায়। অবশ্য আইসোলেশনের দুই সপ্তাহ পর রোগীর মধ্যে টানা ৭২ ঘণ্টা কোনো উপসর্গ না থাকলেও তিনি করোনামুক্ত হয়েছেন বলে ধরে নেওয়া হয়। এরপর রোগী আবার স্বাভাবিক জীবনে ফিরে যান। এ সময় আইসোলেশনে থাকাকালীন রোগীর ব্যবহার করা কাপড়চোপড়, ঘর, আসবাব ইত্যাদি জীবাণুমুক্ত করা জরুরি। না হলে এগুলো আবার সংক্রমণের উৎস হয়ে উঠতে পারে।
সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন
We use cookies to ensure you get the best experience on our website.