কুইক লিঙ্ক : মুজিব বর্ষ | করোনা ম্যাপ | করোনা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাব

ফেসবুকের কমেন্ট নিয়ে যুবলীগ-ছাত্রলীগের সংঘর্ষ, আহত ১২

মানবজমিন প্রকাশিত: ০৫ আগস্ট ২০২০, ০০:০০

কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার ৮নং চরএলাহী ইউনিয়নের এলাহী বাজারে তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে ক্ষমতাসীন দলের ছাত্রলীগ ও যুবলীগের ২ গ্রুপের সংঘর্ষে ১২ জন আহত হয়েছে। ঈদ-উল-আযহার রাতে এ ঘটনায় আহত মিরাজ হোসেন ও সাইফুল ইসলাম তারেককে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ফেসবুক মেসেঞ্জারের মাধ্যমে চরএলাহী ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক রোহান মাহমুদ ফয়সালের সাথে নোয়াখালী সরকারি কলেজের তৃতীয় বর্ষের ছাত্রলীগ নেতা তামিম ইকবালের সাথে মতদ্বৈততা সৃষ্টি হয়। এদের মধ্যে রোহান মাহমুদ ফয়সাল চরএলাহী ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি সাহাব উদ্দিনের গ্রুপের ঘনিষ্ঠ এবং তামিম ইকবাল ইউনিয়ন যুবলীগের সভাপতি ও ইউপি চেয়ারম্যান আবদুর রাজ্জাক গ্রুপের ঘনিষ্ঠ বলে পরিচিত। এদিকে তুচ্ছ মনমালিন্যকে কেন্দ্র করে রোহান ফয়সাল ও তামিম ইকবাল শনিবার সন্ধ্যায় একে অপরকে চ্যালেঞ্জ করে এলাহী বাজারে আসতে বলেন। পরে দুজনের সাক্ষাতের পর রোহানের লোকজন তামিমকে লাঞ্ছিত করে। এ ঘটনার পর ইউপি চেয়ারম্যান রাজ্জাকের ছেলেসহ ছাত্রলীগের সাবেক ইউনিয়ন সাধারণ সম্পাদক আবুল কালামের নেতৃত্বে একদল রোহান ফয়সাল ও তার লোকজনকে ধাওয়া করে। খবর পেয়ে ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি সাহাব উদ্দিন বাজারে এসে দুপক্ষকে শান্ত করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করেন। কিন্তু ইউপি চেয়ারম্যান আবদুর রাজ্জাক এসে আ’লীগ সভাপতি সাহাব উদ্দিনকে লাঞ্ছিত করায় পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠে। এরপর ইউপি চেয়ারম্যান আবদুর রাজ্জাক এবং আ’লীগ সভাপতি সাহাব উদ্দিনের লোকজনের মধ্যে সংঘর্ষ ছড়িয়ে পড়ে। এতে উভয় পক্ষের কমপক্ষে ১২ জন আহত হয়েছে। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, চেয়ারম্যান বাহিনীর দফায়-দফায় ককটেল বিষ্পোরণ ও ফাঁকা গুলিবর্ষনে বাজারের ব্যবসায়ীরা দোকানপাট বন্ধ করে ভয়ে দিগি¦দিক  ছুটাছুটি করে। এদের মধ্যে সাহাব উদ্দিনের ছেলে মিরাজ হোসেন (২৮) ও ইউনিয়ন ছাত্রলীগ নেতা সাইফুল ইসলাম তারেক (২৩) কে রক্তাক্ত অবস্থায় উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। ইউপি চেয়ারম্যান ও যুবলীগ নেতা  আবদুর রাজ্জাক বলেন, আ’লীগ নেতা সাহাব উদ্দিনের লোকজনের হামলায় তার (চেয়ারম্যানের) ছেলেসহ বেশ কয়েকজন আহত হয়েছে। অন্যদিকে ইউনিয়ন আ’লীগ সভাপতি সাহাব উদ্দিন জানান, চেয়ারম্যানের লোকজনের হামলায় তার (সাহাব উদ্দিনের) ছেলেসহ বেশ কয়েকজন আহত হয়েছে। এদিকে উভয়ের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে বসুরহাট পৌরসভার মেয়র, সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রীর ছোট ভাই আবদুল কাদের মির্জাসহ উপজেলা আওয়ামী লীগের নেতাদের কাছে পরষ্পর বিরোধী নালিশ দিলেও এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত  থানায় কোন অভিযোগ দায়ের হয়নি। কোম্পানীগঞ্জ থানার পরিদর্শক (তদন্ত) রবিউল হক মানবজমিনকে জানান, ছাত্রলীগের দু’গ্রুপের সংঘর্ষের সত্যতা নিশ্চিত করেন। তিনি বলেন, তবে এ ঘটনায় কেউ থানায়  কোন অভিযোগ দায়ের করেন নি। এ নিয়ে ২ গ্রুপ মুখোমুখি অবস্থানে রয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে রাস্তায়-রাস্তায় অতিরিক্ত পুলিশ টহল দিচ্ছে।

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন

প্রতিদিন ৩৫০০+ সংবাদ পড়ুন প্রিয়-তে

এই সম্পর্কিত

আরও