You have reached your daily news limit

Please log in to continue


নতুন অভিযাত্রায় তথ্য মন্ত্রণালয়, নেপথ্যে ড. হাছান মাহমুদ

শেখ হাসিনার নেতৃত্বে ২০১৮ সালের সাধারণ নির্বাচনের পর আওয়ামী লীগ টানা তৃতীয়বারের মতো ও দেশের ইতিহাসে চতুর্থবার সরকার গঠন করে। এই সরকারের তথ্যমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পর গত দেড় বছরে ড. হাছান মাহমুদের পাঁচটি ব্যতিক্রমী পদক্ষেপ তাকে সাহসী হিসেবে আলোচনায় এনেছে। ছাত্রজীবন থেকে রাজনীতি মাঠ দাপিয়ে ছাত্রলীগে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালনকারী হাছান আওয়ামী লীগে প্রচার সম্পাদক থেকে পান তথ্য মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব। রাজনৈতিকভাবে তার এগিয়ে চলায় সাফল্যের পালকে যোগ হয় আরেকিট পদ, আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক। এখন রাজনীতি এবং সরকারের দায়িত্ব, দুইই সামলাচ্ছেন ড. হাছান মাহমুদ। নিজ দপ্তরের কাজ সামলানোর পাশাপাশি করোনাকালে ত্রাণ কার্যক্রমের জন্য ছুটে গেছেন চট্টগ্রামে নিজের নির্বাচনী এলাকায়। অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছেন সরকারের হয়ে। বলাবাহুল্য, তিনিই একমাত্র মন্ত্রী যিনি করোনাকালে প্রতিদিন অফিস করছেন আর সাপ্তাহিক ছুটির দিনগুলোতে চট্টগ্রামে নিজ নির্বাচনী এলাকায় ছুটে গিয়ে হাজার হাজার মানুষের মাঝে ত্রাণ বিতরণ কাজ পরিচালনা করেছেন। পাশাপাশি পালন করে চলছেন করোনা পরিস্থিতির বিষয়ে চট্টগ্রাম বিভাগ সমন্বয় কমিটির সভাপতির দায়িত্ব। অফিস শেষে এবং সপ্তাহ শেষে ঢাকায় থাকলে নিয়মিত আওয়ামী লীগের দলীয় কার্যালয়ে যাওয়া তার রুটিন কাজ। অবাধ তথ্য প্রবাহের এ যুগে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম যখন গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে, গণমাধ্যমকে স্বাধীন পথে চলার দ্বার অবারিত করেছেন হাছান মাহমুদ। তার সময়ে তথ্য মন্ত্রণালয় নতুন অভিযাত্রার পথে এসেছে। গণমাধ্যমের স্বার্থে নিয়েছেন কিছু গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ। এক. দেশের আইন অনুযায়ী সম্প্রচারিত কোনো বিদেশি টিভি চ্যানেলে অনুমতি ছাড়া বিজ্ঞাপন প্রচার নিষিদ্ধ থাকলেও এ বিষয়টি পূর্বে আমলে নেয়া হয়নি, যদিও দেশীয় পণ্য ও তার বাজারের ওপর এর সুদূরপ্রসারী প্রভাব রয়েছে। তথ্য মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পাওয়ার পর থেকেই হাছান মাহমুদ দেশের স্বার্থে এ সংক্রান্ত আইন প্রয়োগে দৃঢ়তার নীতি গ্রহণ করেন। এতোদিন ধরে যে কাজ প্রায় অসম্ভব মনে হয়েছিল, তা বাস্তবায়নে নানা পদক্ষেপ গ্রহণ শুরু হয়, ক্যাবল নেটওয়ার্ক অপারেটরদের মধ্যেও মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা যায়। কিন্তু বলা যায়, মন্ত্রীর একক দৃঢ়তার কারণেই আইনের পথে হাঁটতে শুরু করে সবাই। যদিও বিষয়টি সহজ নয়, প্রয়োজন ক্যাবল নেটওয়ার্কের পূর্ণ ডিজিটাল পদ্ধতিতে রূপায়ন। সেজন্যও বাস্তব সময়সীমা বাঁধতে চান তথ্যমন্ত্রী। দুই. পূর্বে ক্যাবল নেটওয়ার্ক অপারেটরদের বারবার বলা হলেও টিভি চ্যানেলগুলোর ক্রম সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী সাজানো থাকতো না। নেটওয়ার্ক অপারেটররা তাদের মর্জি মাফিক চ্যানেলগুলোর ক্রম ঠিক করতো এবং সামনের দিকে স্থান পাওয়ার জন্য অসুস্থ প্রতিযোগিতার নানা অভিযোগ ছিল। নতুন তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান প্রত্যেক জেলায় মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করিয়ে এটিকে নিয়মের মধ্যে এনেছেন। এখন ক্যাবল নেটওয়ার্কে দেশের টিভি চ্যানেল সবার আগে এবং সেগুলো তাদের সম্প্রচারের তারিখ অনুযায়ী পরপর সাজানোর ব্যবস্থা হয়েছে।
সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন