কুইক লিঙ্ক : মুজিব বর্ষ | করোনা ম্যাপ | করোনা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাব

বন্ধু হারাল ক্রীড়াঙ্গনও

প্রথম আলো প্রকাশিত: ০২ জুলাই ২০২০, ১১:০৮

শুধু ব্যবসা বা সংবাদমাধ্যম নয়। ট্রান্সকম গ্রুপের চেয়ারম্যান লতিফুর রহমানের মৃত্যুতে ব্যথিত বাংলাদেশের ক্রীড়াঙ্গনও। ব্যবসায়ী হিসেবেই হয়তো তাঁর পরিচিতি বেশি। প্রথম আলোর পরিচালনাকারী প্রতিষ্ঠান মিডিয়াস্টার লিমিটেডের চেয়ারম্যান ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক ছিলেন তিনি। তবে এসব পরিচয়ের আড়ালে ক্রীড়া উন্নয়নে তাঁর অবদানও ভোলার নয়। ক্রীড়ায় নানাভাবে পৃষ্টপোষকতা করেছে ট্রান্সকম গ্রুপ। ২০০০ সালে ঢাকায় পেপসি এশিয়া কাপ ক্রিকেটের পৃষ্ঠপোষকতা করেছিল ট্রান্সকম গ্রুপ।

১৯৯৪-৯৫ মৌসুমে ২১তম জাতীয় ক্রিকেট চ্যাম্পিয়নশিপের পৃষ্টপোষকও ছিল এই প্রতিষ্ঠানটি। সে সময়ের স্মৃতি রোমহ্নন করে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের পরিচালক আহমেদ সাজ্জাদুল আলম ববি গতকাল প্রথম আলোকে বলেন, ' লতিফুর রহমান ছিলেন খুব ভদ্র ও বিনয়ী মানুষ। কখনো মনেই হতো না তিনি এত বড় একজন ব্যবসায়ী। ক্রিকেটের খোঁজখরব রাখতেন। যখনই দেখা হতো ক্রিকেট সম্পর্কে জানতে চাইতেন।' ক্রিকেট ছাড়া অন্য খেলায়ও পৃষ্ঠপোষকতা করেছে ট্রান্সকম গ্রুপ। ভলিবল, হ্যান্ডবলসহ বিভিন্ন খেলার উন্নয়নে এই গ্রুপের অবদান স্মরণ করেন ক্রীড়া সংগঠকেরা।

বাংলাদেশ ভলিবল ফেডারেশনের সাবেক সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক গোলাম কুদ্দুস চৌধুরী যেমন বললেন, ' জাতীয় ভলিবল চ্যাম্পিয়নশিপ, বিজয় দিসব টুর্নামেন্টসহ আরও কিছু আয়োজনে পৃষ্টপোষকতা করেছেন লতিফুর রহমান। তবে কখনো তিনি প্রচার নিতে চাইতেন না।' গোলাম কুদ্দুস চৌধুরী ছিলেন ট্রান্সকম বেভারেজের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিইও। অলিম্পিক অ্যাসোসিয়েশনের সাবেক মহাসচিব পদেও তাঁকে তাঁকে দেখা গেছে। লতিফুর রহমানকে নিয়ে স্মৃতিচারণায় ৭৯ বছর বয়সী গোলাম কুদ্দুস চৌধুরী গতকাল বলেন, ' তিনি খেলাধুলায় অনেক সমর্থন দিয়েছেন। তবে কোনো বাহবা দিতে চাননি। ওনার মতো ভালো মানুষ দেখিনি কখনো। অমায়িক ছিলেন।

আমি ভলিবল ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক, সভাপতি থাকার সময় তাঁর সহায়তায় ট্রান্সকমকে স্পনসর হিসেবে পেয়েছি। তখন সম্ভবত বাস্কেটবলও স্পনসর করেছে ট্রান্সকম।' এক এগারোর আগে হ্যান্ডবলে বেশ কয়েকবার জাতীয় চ্যাম্পিয়নশিপ পৃষ্টপোষকতা করেছে পেপসি। আরও কয়েকটি টুর্নামেন্টের পৃষ্টপোষকও করে তখন। সেসব স্মৃতি তুলে এনে বাংলাদেশ হ্যান্ডবল ফেডারেশনের সাধারণ আসাদুজ্জামান কোহিনুর বললেন ,' তখনকার সময়ে হ্যান্ডবলে স্পনসরশিপ বাবাদ ট্রান্সকম আমাদের সর্বোচ্চ টাকা দেয়। লতিফুর রহমান ব্যবসায়ী এবং মানুষ হিসেবে ছিলেন অসাধারণ। আমার জানা মতে তাঁর মতো সৎ ব্যবসায়ী এই উপমহাদেশেই কম আছে। ট্রান্সকম বেভারেজের সঙ্গে আমার ব্যবসা আছে। সে হিসেবে লতিফুর রহমানকে কাছ থেকে দেখার সুযোগ হয়েছে। তাঁকে কখনো আগে সালাম দেওয়ার সুযোগ পাইনি।

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন

প্রতিদিন ৩৫০০+ সংবাদ পড়ুন প্রিয়-তে

এই সম্পর্কিত

আরও