বুড়িগঙ্গায় লঞ্চ ডুবার ঘটনাস্থলে ভেসে ওঠা সুমন বেপারিকে স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজ (মিটফোর্ড) হাসপাতালের জরুরি বিভাগে রেখে অক্সিজেন দেয়া হয়েছে। তার চিকিৎসার বিষয়ে সোমবার রাতে মিটফোর্ড হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. রাশীদ উন নবীর বলেন, তাকে জরুরি বিভাগে ভর্তির পরপরই চিকিৎসা শুরু করা হয়েছে। অক্সিজেন দেয়া হয়েছে। তিনি কথা বলছেন না, মাথা নাড়াচ্ছেন।
উদ্ধার হওয়া সুমন বেপারি পেশায় ফল ব্যবসায়ী। তিনি রাজধানীর বাদামতলীতে ফল ব্যবসার করেন। সুমনের ভাতিজা আরাফাত রায়হান সাকিব সাংবাদিকদের জানান, তার চাচা মুন্গসিঞ্জ টঙ্গীবাড়ি উপজেলার আব্দুল্লাহপুর গ্রামে থাকেন। প্রতিদিনের মতো লঞ্চযোগে রাজধানীর বাদামতলী যান। সকাল থেকে খোঁজ পাওয়া যাচ্ছিল না তার। তার সাথে মাসুদ নামে এক ব্যক্তি সাঁতরিয়ে উঠলেও তার চাচাকে আর খুঁজে পাওয়া যাচ্ছিল না। টিভিতে ছবি দেখে চাচাকে শনাক্ত করেন তিনি।
দীর্ঘ ১২ ঘণ্টা পর ডুবে যাওয়া লঞ্চের ভেতর থেকে জীবিত অবস্থায় উদ্ধার হলেন মধ্যবয়সী এক ব্যক্তি। সোমবার রাত ১০টার দিকে ডুবুরিরা যখন টিউবের মাধ্যমে লঞ্চটি ওপরে তোলার চেষ্টা করছিলেন এবং লঞ্চটির একাংশ ওপরে উঠে আসছিল ঠিক তখনই ওই ব্যক্তি লঞ্চ থেকে বেরিয়ে আসেন।
সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন
We use cookies to ensure you get the best experience on our website.