যুক্তরাষ্ট্রের ১৬টি অঙ্গরাজ্যে করোনার সংক্রমণ বাড়তে থাকায় দেশ ' গুরুতর সমস্যায়' রয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন দেশটির শীর্ষ সংক্রামক রোগ বিশেষজ্ঞ অ্যান্টনি ফাউসি। গত দুই মাসের মধ্যে হোয়াইট হাউজ টাস্ক ফোর্সের প্রথম ব্রিফিংয়ে ডা. ফাউচি বলেছেন, এটা শেষ করার একমাত্র উপায় হলো একসঙ্গে কাজ করা।
করোনার সংক্রমণ রোধে আরো অনেক পদক্ষেপ প্রয়োজন বলে স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা মনে করলেও ভাইস প্রেসিডেন্ট মাইক পেন্স যুক্তরাষ্ট্রের ‘অগ্রগতির’ প্রশংসা করেছেন। শুক্রবার রেকর্ড ৪০ হাজারের বেশি করোনা শনাক্ত হয়েছে। দেশে সব মিলিয়ে ২৪ লাখ মানুষ সংক্রমণ হয়েছে এবং মৃত্যু ১ লাখ ২৫ হাজারের বেশি মানুষ মারা গেছে। তবে স্বাস্থ্য কর্মকর্তারা বলেছেন, আক্রান্তের প্রকৃত সংখ্যা সরকারি হিসাবের চেয়ে ১০ গুণ বেশি। এমন পরিস্থিতি সামাল দিতে শুক্রবারের ব্রিফিংয়ে গণহারে করোনা পরীক্ষার ব্যাপারে জোর আহ্বান করা হয়েছে, এমনকি যাদের উপসর্গ নেই তাদেরও।
মহামারি করোনাভাইরাস রেসপন্স কোঅর্ডিনেটর ডা. দেবোরাহ ব্রিক্স তরুণ মার্কিনিদের ধন্যবাদ জানিয়ে বলেছেন, আগে আমরা যেখানে তাদের ঘরে থাকতে বলেছি, এখন বলছি তাদের করোনা পরীক্ষা করাতে। তিনি আরো বলেছেন, করোনা পরীক্ষায় এই ‘বড় পরিবর্তন’ হলে কর্মকর্তারা খুঁজে পাবেন ‘উপসর্গহীন ও অল্প আক্রান্তদের, যাদের আগে আমরা কখনো খুঁজিনি।’ ডা. ব্রিক্সের বক্তব্যের পর ডা. ফাউচি বলেছেন, আপনারা দেখতে পাচ্ছেন আমরা নির্দিষ্ট কয়েকটি জায়গায় গুরুতর সমস্যার মুখোমুখি হচ্ছি। দেশের একটি এলাকায় যা হচ্ছে, তার প্রভাব পড়ছে অন্যদের উপর। বর্তমান সংক্রমণ বাড়ার কারণ হিসেবে ফাউচি বললেন, রাজ্যের প্রত্যেকটি ক্ষেত্র সম্ভবত আগেভাগেই খুলে দেয়া হচ্ছে। সঠিক সময়ে খুললেও জনগণ স্বাস্থ্যবিধি মানা হচ্ছে না।
সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন
We use cookies to ensure you get the best experience on our website.