ব্যাংকের কর্মী ছাটাই বা বেতন-ভাতা কমানো নয়, অযাচিত ব্যয় সংকোচন করুন

বণিক বার্তা মোশারফ হোসেন প্রকাশিত: ১৬ জুন ২০২০, ২৩:০০

বর্তমান করোনাকালীন দুর্যোগপূর্ণ সময়ে আয় বাড়ানোটা অনেক দুঃসাধ্য বিষয়। আগের আয় ধরে রাখাটাও সম্ভব হচ্ছে না অধিকাংশ শিল্প ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের পক্ষে। তবে আপৎকালীন এই সময়ে টিকে থাকাই মূল লক্ষ্য। তাই এই সময়ে মুনাফা অত্যাবশ্যক না হলেও ব্রেক-ইভেনে থাকাটা জরুরি। আর ব্রেক-ইভেনে থাকতে হলে আয় ও ব্যয় সমান সমান হতে হবে। কিন্তু বর্তমান সময়ে খরচের অংক স্থির রেখে আয়ের অংক যেভাবে ছোট হয়ে আসছে, সেখানে ব্রেক-ইভেনে থাকাটাও সম্ভব হবে না অনেক শিল্প ও ব্যবসায়ের জন্যই। তাই ব্যয় সংকোচনের বিকল্প নেই এই মুহূর্তে।

ব্যাংকের জন্যও এখন এটাই মূল চ্যালেঞ্জ।ব্যয় সংকোচনের কথা আসলে প্রথমেই আসবে ব্যয়ের খাত প্রসঙ্গ। আমাদের দেশের শীর্ষস্থানীয় একটি বেসরকারি ব্যাংকের ২০১৮ সালের নিরীক্ষীত আর্থিক বিবরণী হতে জানা যায়, ব্যাংকটির মোট খরচের ৫৩ শতাংশ হচ্ছে আমানতের সুদ, পরিচালন ব্যয় ২৭ শতাংশ, ঋণের বিপরীতে প্রভিশন খরচ ৯ শতাংশ এবং কর বাবদ খরচ ১১ শতাংশ।

অর্থাৎ ব্যয়ের সবচেয়ে বড় খাত হচ্ছে আমানতের সুদ এবং দ্বিতীয় অবস্থানে পরিচালন ব্যয়। তাহলে অংক সহজ হয়ে গেল- আমানতের সুদ হার এবং পরিচালন ব্যয় কমিয়ে দিলে সহজেই ব্যাংকের খরচ কমিয়ে আনা সম্ভব। কারণ এ দুটো খরচে ব্যাংক নিজে হস্তক্ষেপ করার সুযোগ আছে। প্রভিশন এবং কর খরচ সরকার এবং বাংলাদেশ ব্যাংকের নিয়ন্ত্রণাধীন।কিন্তু এ অংকটি কষা যত সহজ, এর বাস্তবায়ন ততটা সহজ নয়। কারণ আমানতকারীগণ ব্যাংকের কাছে সুদ পায় বলেই আমানত রাখে।

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন

প্রতিদিন ৩৫০০+ সংবাদ পড়ুন প্রিয়-তে

এই সম্পর্কিত

আরও