বাংলা চলচ্চিত্রের জীবন্ত কিংবদন্তি তারকা শাবানা। জনপ্রিয়তার বিচারে তিনি ছিলেন অতুলনীয়। এই অভিনেত্রী অভিনয় থেকে দূরে রয়েছেন প্রায় ২০ বছর। তারপরও জনপ্রিয়তার এক বিন্দু চিড় ধরেনি। জনপ্রিয় এই নায়িকার জন্মদিন আজ।
এ তারকাকে নিয়ে এখনো ভক্তদের কৌতূহলের শেষ নেই। তার জন্মদিন উপলক্ষে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রতিবছরের মতো এবারো শুভেচ্ছা জানাচ্ছেন ভক্তরা। দীর্ঘদিন ধরেই সপরিবারে আমেরিকায় বসবাস করছেন শাবানা। মাঝে মাঝে যখনই তিনি দেশে আসেন, তখনই তাকে নিয়ে হইচই পড় যায় দর্শকমহলে। সবশেষ গত ডিসেম্বরে ঢাকায় এসেছিলেন এ অভিনেত্রী। তখনো দেশের সংবাদমাধ্যমের বিনোদন পাতা মেতেছিল তাকে নিয়ে।
১৯৫২ সালের ১৫ জুন ঢাকার গেন্ডারিয়ায় জন্মগ্রহণ করেন তিনি। তার প্রকৃত নাম আফরোজা সুলতানা রত্না। পৈতৃক বাড়ি চট্টগ্রামের রাউজান উপজেলার ডাবুয়া গ্রামে। তার বাবার নাম ফয়েজ চৌধুরী ও মা ফজিলাতুন্নেসা। তিনি ঢাকার গেন্ডারিয়া হাইস্কুলে ভর্তি হলেও প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষার ইতি ঘটে মাত্র ৯ বছর বয়সে। ১৯৬৭ সালে এহতেশামের 'চকোরি' ছবিতে প্রথমবার নায়িকা চরিত্রে অভিনয় করেন, রাতারাতি ব্যাপক জনপ্রিয়তা পান। শাবানা নামটি এ পরিচালকেরই দেয়া। অবশ্য এর আগে কয়েকটি সিনেমায় সহশিল্পী হিসেবে অভিনয় করেন রত্না নামে।
ষাট থেকে নব্বই দশকে জনপ্রিয়তার তুঙ্গে ছিলেন তিনি। তিন দশকের বেশি সময়ের চলচ্চিত্র ক্যারিয়ারে ২৯৯টি চলচ্চিত্রে অভিনয় করেন শাবানা। এর মধ্যে ১৩০টি সিনেমায় তার বিপরীতে ছিলেন আলমগীর। এছাড়াও রাজ্জাক, জসীম, সোহেল রানা, ফারুক প্রমুখ গুণী অভিনয়শিল্পীদের সঙ্গে জুটি বেঁধে উপহার দিয়েছে অসংখ্য জনপ্রিয় সিনেমা। শাবানা অভিনীত উল্লেখযোগ্য সিনেমাগুলো হচ্ছে, ‘ভাত দে’, ‘ছুটির ঘণ্টা’, ‘দোস্ত দুশমন’, ‘সত্য মিথ্যা’, ‘রাঙা ভাবী’, ‘অবুঝ মন’, ‘বাংলার নায়ক’, ‘ওরা এগারো জন’, ‘বিরোধ’, ‘আনাড়ি’, ‘সমাধান’, ‘জীবনসাথী’, ‘মাটির ঘর’, ‘লুটেরা’, ‘সখি তুমি কার’, ‘কেউ কারো নয়’, ‘পালাবি কোথায়’, ‘স্বামী কেন আসামি’, ‘দুঃসাহস’, ‘পুত্রবধূ’, ‘আক্রোশ’ ও ‘চাঁপা ডাঙার বউ’ প্রভৃতি।
অভিনয়ে অসামান্য অবদানের জন্য ১০বার জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার পেয়েছেন গুণী এই অভিনেত্রী।
সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন
We use cookies to ensure you get the best experience on our website.