You have reached your daily news limit

Please log in to continue


করোনাভাইরাস: গণপরিবহনে সামাজিক দূরত্ব থাকবে তো?

করোনাভাইরাস: গণপরিবহনে সামাজিক দূরত্ব থাকবে তো? মতামত - সারওয়ার-উল-ইসলাম ১১ জুন, ২০২০ ১২:৪৪ করোনার কারণে দীর্ঘ দুই মাস বন্ধ থাকার পর রাজধানীতে আবার বাস চলাচল শুরু হয়েছে। সীমিত যাত্রী নিয়ে বাস চলছে। মানুষ তার গন্তব্যে যাওয়ার জন্যে বিশেষ করে অফিস আদালত, ব্যবসা বাণিজ্য করার জন্যে বাসটাকেই প্রাধান্য দিয়ে থাকে। কারণ অন্য যানবাহনে ভাড়া বেশি দিতে হয়। সীমিত যাত্রী নেয়ার কারণে স্বভাবতই বাস মালিকদের লোকসান গুণতে হতে পারে তাই ভাড়াও ষাট থেকে আশি শতাংশ বৃদ্ধির বিষয়টিও আলোচনায় আছে। তবে এখনও আগের চেয়ে কোথাও কোথাও দেড়গুন আবার কোথাও তারচেয়েও বেশি ভাড়া গুণতে হচ্ছে যাত্রীদের। যাত্রীরাও খুব বেশি এটা নিয়ে হৈচৈ করছে না। কারণ বাসে গাদাগাদি করে দাড়িয়ে যেতে হচ্ছে না। পাশাপাশি সিটেও যাত্রীদের বসতে হচ্ছে না। কিছুটা দূরত্ব নিয়েই যাত্রীদের বসাচ্ছে হেলপার ক-াক্টররা। কোনো কোনো বাসে যাত্রীদের ওঠানোর সময় পায়ের জুতা বা সেন্ডেলে ব্লিচিং মিশ্রিত পানি ছিটিয়ে তবেই ওঠানো হচ্ছে। বিষয়টা সচেতনতারই বহিঃপ্রকাশ। সব মিলিয়ে করোনাকালে বাসের হেলপার কন্ডাক্টর আর চালকদের বেশ আন্তরিক দেখা যাচ্ছে। খুবই ভাল বিষয়। এখন কথা হচ্ছে- এভাবে কতদিন তারা আন্তরিকতা দেখাবে। আর তারা যদি আন্তরিকতা না দেখায় বা সচেতনতাকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখায় তখন তাদেরকে কে বা কারা সচেতন করবে? সেই প্রসঙ্গটা কোথাও কোথাও আলোচনা চলছে। আলোচনা চলার যথেষ্ট কারণও রয়েছে। কারণ রাজধানীর বেশিরভাগ বাসের মালিকানা সরকার দলীয় সংগঠনের নেতাদের। আর এইসব মালিকদের নিয়োজিত চ্যালাচামুণ্ডাদের স্বেচ্ছাচারিতার কথা কমবেশি যাত্রীরা জানেন। সিটিং সার্ভিসের নামে চিটিংপনা থেকে শুরু করে ভাড়া নিয়ে নৈরাজ্য, যত্রতত্র বাস থামিয়ে যাত্রী তোলা, কোথাও দুর্ঘটনা ঘটানোর পর মামলা হলে বাস ধর্মঘটসহ নানাভাবে জনগণকে হয়রানি তো নিত্যনৈমিত্তিক বিষয়।
সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন