কুইক লিঙ্ক : মুজিব বর্ষ | করোনা ম্যাপ | করোনা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাব

মশার ওষুধ: ধার করে চলছে ঢাকা দক্ষিণ

বাংলা ট্রিবিউন প্রকাশিত: ০৫ জুন ২০২০, ১৯:১২

দীর্ঘদিন ধরে উড়ন্ত মশা মারার ওষুধ ছিটানো বন্ধ থাকার পর অবশেষে উত্তর সিটি করপোরেশন থেকে ওষুধ ধার নিয়েছে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন (ডিএসসিসি)। সংস্থাটির ভাণ্ডারে বিদেশ থেকে আমদানি করা ওষুধ থাকলেও সেটি ফরমুলেশন (মিক্সিং) করতে না পারায় এমন সমস্যা দেখা দিয়েছে। তবে ওষুধ ফরমুলেশনের জন্য গত ৬ মাস ধরে দুই দফা টেন্ডার আহ্বান করলেও এখনও তা চূড়ান্ত করতে পারেনি সংস্থাটি। দুই সিটির সংশ্লিষ্ট বিভাগ সূত্র বিষয়টি বাংলা ট্রিবিউনকে নিশ্চিত করেছে।

তবে মশার ওষুধ নিয়ে ঢাকা দক্ষিণে দীর্ঘদিন ধরে একটি সিন্ডিকেট কাজ করছে বলে অভিযোগ রয়েছে। সেটি ভাঙতে উদ্যোগ নিয়েছেন ডিএসসিসির বর্তমান মেয়র ব্যারিস্টার শেখ ফজলে নূর তাপস। এরই মধ্যে তিনি সংস্থার ভাণ্ডার বিভাগ পরিদর্শন করে নতুন আমদানিকৃত মূল ওষুধ নিজে উপস্থিত থেকে মাঠপরীক্ষা করেছেন। এছাড়া ভবিষ্যতে ওষুধ ফর্মুলেশনের সব কাজ ডিএসসিসি থেকে করার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে বলেও ডিএসসিসির একটি সূত্র জানিয়েছে।

জানা গেছে, মশার ওষুধ সংকট দেখা দেওয়ায় ডিএসসিসির স্বাস্থ্যবিভাগ থেকে গত সপ্তাহের শুরুর দিকে ৫০ হাজার লিটার ওষুধ ধার চেয়ে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনকে একটি পত্র দেওয়া হয়। এরই মধ্যে ২৫ হাজার লিটার ওষুধ ধার দিতে ফাইল অনুমোদন দিয়েছে ডিএনসিসি।

গত বছর ডেঙ্গু রোগের প্রাদুর্ভাবের পর বিদেশ থেকে সরাসরি ওষুধ আমদানি করার অনুমতি দেওয়া হয় ঢাকার দুই সিটি করপোরেশনকে। এরপর ভারত থেকে ম্যালাথিউন ৫% আমদানি করে ডিএসসিসি। কিন্তু আমদানিকৃত ওষুধটি সরাসরি ব্যবহার উপযোগী নয়। এর সঙ্গে ৯৫ শতাংশ ডিজেল ও ২৫ থেকে ৫০ এমএল সাইট্রোনেলা মিশ্রিত করে নগরীতে ছিটাতে হয়। এজন্য ডিজেল এবং ওষুধের ফরমুলেশন (মিশ্রণ) সঠিক হতে হয়। আর এই কাজটি করার জন্য সিটি করপোরেশনের নিজস্ব কোনও প্রযুক্তি নেই। এজন্য দ্বিতীয় পক্ষ দিয়ে কাজ করতে হয় নগর ভবনকে।

আর এই কাজটি সম্পন্ন করতে চলতি বছরের ১ জানুয়ারি ৬ লাখ ৪০ হাজার লিটার অ্যাডাল্টি সাইটিং ওষুধের জন্য টেন্ডার আহ্বান করে ডিএসসিসি। তাতে প্রাক্কলিত ব্যয় ধরা হয় ১২ কোটি ৪১ লাখ ৬০ হাজার টাকা। এতে সর্বনিম্ন দরদাতা হয় দ্য লিমিট অ্যাগ্রো প্রোডাক্টস লিমিটেড। প্রতিষ্ঠানটি প্রতি লিটার ওষুধের ফরমুলেশন করতে দর দেয় ১৭২ টাকা। কিন্তু গত বছর মানহীন ওষুধ সরবরাহের অভিযোগ থাকায় প্রতিষ্ঠানটিকে কার্যাদেশ দেওয়া হয়নি। এরপর দ্বিতীয় অবস্থানে ছিল মেসার্স ফরওয়ার্ড ইন্টারন্যাশনাল (বিডি) লিমিটেড। প্রতিষ্ঠানটি প্রতি লিটারের জন্য দর দেয় ১৮৫ টাকা। আর তৃতীয় অবস্থানে ছিল জাহিন কনস্ট্রাকশন। প্রতিষ্ঠানটি প্রতি লিটারের দর দেয় ১৯৫ টাকা। কিন্তু প্রথম অবস্থায় কোনও প্রতিষ্ঠানকে কার্যাদেশ না দিয়ে ফের টেন্ডার আহ্বান করে ডিএসসিসি।

পুনঃটেন্ডারে সর্বনিম্ন দরদাতা হয় মেসার্স ফরওয়ার্ড ইন্টারন্যাশনাল (বিডি) লিমিটেড। প্রতিষ্ঠানটি সর্বনিম্ন দর দেয় ১৫৫ টাকা। দ্বিতীয় অবস্থানে থাকা মেসার্স দ্য লিমিট অ্যাগ্রো প্রোডাক্ট দর দিয়েছে ১৬৩ টাকা। তৃতীয় অবস্থান থাকা মেসার্স নোকন লিমিটেড দর দেয় ১৮৩ টাকা। আর মেসার্স মার্শাল এগ্রোভেট কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রি লিমিটেড চতুর্থ অবস্থান থেকে দর দেয় ১৮৯ টাকা।

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন

প্রতিদিন ৩৫০০+ সংবাদ পড়ুন প্রিয়-তে

এই সম্পর্কিত

আরও