You have reached your daily news limit

Please log in to continue


ব্যবহৃত সুরক্ষা সামগ্রী গৃহস্থালির বর্জ্যে, বিপদ দেখছেন বিশেষজ্ঞরা

করোনাভাইরাসের সংক্রমণ ঠেকাতে মানুষের ব্যবহৃত সুরক্ষা সামগ্রী গৃহস্থালির বর্জ্যের সাথে মিশে যাওয়ায় বড় বিপদের শঙ্কা করছেন বিশেষজ্ঞরা। সংক্রমণের ঝুঁকি কমাতে ব্যবহার করা গ্লাভস, মাস্ক, পিপিই, স্যানিটাইজারের বোতলের মত বর্জ্য আলাদাভাবে সংগ্রহ করে যথাযথ পদ্ধতিতে নিষ্কাশনের তাগিদ দিয়েছেন তারা। এদিকে দেশে করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাব শুরুর প্রায় তিন মাস পরে এসে এসব বর্জ্য পৃথকভাবে সংগ্রহের পরিকল্পনার কথা বলছে নগর কর্তৃপক্ষ। তবে বাসাবাড়ি থেকে সংক্রমিত বর্জ্য ব্যবস্থাপনাই বেশি ভাবাচ্ছে কর্মকর্তাদের। এই বাস্তবতার মধ্য ‘প্রকৃতিকে বাঁচানোর এখনই সময়’ স্লোগানে বিশ্ব পরিবেশ দিবস পালন করছে বাংলাদেশ। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, রাজধানীতে এ পর্যন্ত কোভিড-১৯ শনাক্ত হয়েছে প্রায় ২০ হাজার মানুষের, যাদের অধিকাংশই বাসায় থেকে চিকিৎসা নিচ্ছেন। আক্রান্তদের সৃষ্ট বর্জ্য ছাড়াও নগরবাসীর ব্যবহৃত সুরক্ষা সামগ্রী থেকেও প্রতিদিনই ঝুঁকিপূর্ণ বর্জ্য উৎপন্ন হচ্ছে। পথেঘাটে যত্রতত্র পড়ে থাকতে দেখা যাচ্ছে ব্যবহৃত গ্লাভস, মাস্ক ও স্যানিটাইজারের বোতল। প্রিজম বাংলাদেশ নামে একটি স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন হাসপাতালগুলো থেকে মেডিকেল বর্জ্য সংগ্রহে কাজ করে। তবে বাসাবাড়ির ঝুঁকিপূর্ণ বর্জ্য সংগ্রহে পৃথক ব্যবস্থাপনা নেই। ফলে গৃহস্থালি আবর্জনার সাথে মিশে এ বর্জ্যগুলো চলে যাচ্ছে সিটি করপোরেশনের ভাগাড়ে।
সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন