কুইক লিঙ্ক : মুজিব বর্ষ | করোনা ম্যাপ | করোনা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাব

মদ্যপানে চারদিনে ২১ জনের মৃত্যু

বণিক বার্তা প্রকাশিত: ২৯ মে ২০২০, ০১:২৭

দিনাজপুর, রংপুর ও বগুড়ায় মদ্যপানে চারদিনে ২১ জনের মৃত্যু হয়েছে। গত সোমবার থেকে গতকালের মধ্যে তাদের মৃত্যু হয়। প্রতিনিধিদের পাঠানো খবর—দিনাজপুর: বিরামপুরে দুদিনে মদ্যপানে ১০ জনের মৃত্যু হয়েছে। এদের মধ্যে গত বুধবার আটজন ও গতকাল দুজনের মৃত্যু হয়। এছাড়া চিকিৎসাধীন আরো ১৫ জন। এ ঘটনায় পুলিশ বাদী হয়ে বিরামপুর থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেছে। এ মামলায় আব্দুল মান্নান নামে এক হোমিও ওষুধ ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

নিহতরা হলেন বিরামপুর পৌর শহরের হঠাৎপাড়া মহল্লার শফিকুল ইসলাম ও তার স্ত্রী মঞ্জুয়ারা, শান্তিনগর মহল্লার মো. আনোর ছেলে আব্দুল মতিন, মাহমুদপুর মহল্লার আব্দুল খালেকের ছেলে আব্দুল আলিম, মো. তোজাম শাহর ছেলে আজিজুল ইসলাম, সুলতানের ছেলে মহসীন আলী, আজিজার রহমানের ছেলে সোহেল রানা, আফিল উদ্দিনের ছেলে মো. মনো মিয়া, কাজিপাড়া গ্রামের বাসিন্দা আনোয়ার হোসেন এবং ইসলামপাড়া মহল্লার তাপস রায়ের ছেলে অমৃত রায়।স্থানীয়রা জানায়, মঙ্গলবার রাতে মাহমুদপুরে কয়েকজন মিলে মদ পানের আসর বসায়। পরে সেখানেই অনেকেই অসুস্থ হয়ে পড়ে।

দ্রুত তাদের বিরামপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক আব্দুল মতিন, মহসিন ও আজিজুলকে মৃত ঘোষণা করেন। উন্নত চিকিৎসার জন্য রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেয়ার পথে অমৃত রায় নামে আরেকজনের মৃত্যু হয়। রাতে সোহেল রানা ও মনো নামে আরো দুজনের মৃত্যু হয়। একই দিন পৌর শহরের হঠাৎপাড়া মহল্লায় নিজ বাড়িতে চোলাই মদ খেয়ে অসুস্থ হয়ে বিরামপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শফিকুল ইসলাম ও তার স্ত্রী মঞ্জুয়ারা মারা যান। গতকাল সকালে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আব্দুল আলিম ও নিজ বাড়িতে আনোয়ার হোসেনের মৃত্যু হয়।

বিরামপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. তৌহিদুর রহমান এই ১০ জনের মৃত্যুর খবরের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, গত বুধবার থেকে গতকাল পর্যন্ত বিভিন্ন সময়ে বিরামপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, দিনাজপুর এম আব্দুর রহিম মেডিকেল কলেজ ও রংপুর মেডিকেল কলেজে নয়জনের মৃত্যু হয়। পরবর্তী সময়ে আরো একজন নিজ বাড়িতে মৃত্যুবরণ করেন বলে জানতে পারি। এ ঘটনায় থানায় মামলা হয়েছে।মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক রাজিউর রহমান জানান, কিছু মানুষ স্পিরিটজাতীয় তরল পদার্থ খেয়ে মৃত্যুবরণ করেছেন।

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন

প্রতিদিন ৩৫০০+ সংবাদ পড়ুন প্রিয়-তে

আরও