কুইক লিঙ্ক : মুজিব বর্ষ | করোনা ম্যাপ | করোনা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাব

রেলপথ যখন এলো

প্রথম আলো প্রকাশিত: ২৩ মে ২০২০, ১০:০০

১৮৭১ সালের ১ জানুয়ারি কুষ্টিয়া থেকে গোয়ালন্দ পর্যন্ত রেল যোগাযোগ প্রতিষ্ঠিত হয়। ইস্টার্ন বেঙ্গল রেলওয়ের (ইবিআর) আওতায় এই সম্প্রসারণ ঘটে। রেল যোগাযোগ স্থাপিত হওয়ার পর পূর্ববঙ্গের যোগাযোগের ক্ষেত্রে গোয়ালন্দের অবস্থানগত গুরুত্ব আরও বেড়ে যায়, যা প্রকাশিত হয়েছে সেকালের পত্রপত্রিকাতেও।

১০ জানুয়ারি ১৮৭৫ সাধারণীর সংবাদ থেকে জানা যায়, ‘পূর্ব্বে গোয়ালন্দ একটি যৎসামান্য গ্রাম ছিল। এখন রেলওয়ে ষ্টেশন হইয়া অতি বিখ্যাত স্থান হইয়াছে। উত্তর, পূর্ব্ব-বাঙ্গালা ও আসাম অঞ্চলের লোকদিগকে কলিকাতা অঞ্চলে যাইতে হইলে এস্থানে আসিয়া রেল গাড়ীতে উঠিতে হয়। বাণিজ্য উপলক্ষে বহুতর বণিক মহাজনের এখানে সমাগম হইয়া থাকে।’ যাত্রীসংখ্যা এতই বৃদ্ধি পায় যে, ইস্টার্ন বেঙ্গল রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ ১৮৭৪ সালে শুধু তৃতীয় শ্রেণির যাত্রীদের জন্য গোয়ালন্দ থেকে কলকাতা রুটে রিটার্ন টিকেট প্রবর্তন করে।

১০ জানুয়ারি ১৮৭৫ সাধারণীর সংবাদ থেকে জানা যায়, পূর্ব্বে গোয়ালন্দ একটি যৎসামান্য গ্রাম ছিল। আসাম বেঙ্গল রেলওয়ের (এবিআর) আওতায় চাঁদপুর ঘাট স্টেশন উদ্বোধন হয় ১ জুলাই ১৮৯৫। এতে চাঁদপুর ঘাট পর্যন্ত রেলওয়ের যাত্রী ও মালামাল পারাপার সম্ভব হয়। চট্টগ্রাম, কুমিল্লা, ঢাকা, সিলেট, আসামের যাত্রী গোয়ালন্দ ঘাট দিয়ে কলকাতায় যাতায়াত শুরু করে। বড় বড় নদীর উপস্থিতির কারণে পূর্ব বাংলার অনেক স্থানেই সরাসরি রেললাইন প্রতিষ্ঠা করা সম্ভব হয়নি। প্রাথমিক পর্যায়ে সেসব স্থানে সেতু তৈরি করাও সম্ভবপর ছিল না। সে কারণে স্টিমার এবং ওয়াগন ফেরির মাধ্যমে নদীর দুই পাড়ে অবস্থিত রেলপথকে সংযুক্ত করা হয়। এমনি ধরনের কয়েকটি ঘাটস্টেশনের মাধ্যমে ইবিআর-এবিআর অভ্যন্তরীণ যাতায়াতব্যবস্থা সহজ করে তুলতে চেষ্টা করে। যেসব স্টেশন দিয়ে সর্বাধিক মালামাল ও যাত্রী পরিবহন হতো সেগুলো হলো, নারায়ণগঞ্জ-গোয়ালন্দ, গোয়ালন্দ-চাঁদপুর, বাহাদুরাবাদ-তিস্তামুখ এবং জগন্নাথগঞ্জ-সিরাজগঞ্জ ঘাট। ‘দ্য ফেরি এরেঞ্জেমন্টস অ্যাট সারা ঘাট’ প্রতিবেদনটিতে দেখা যায়, ইবিআর এর অন্তর্ভুক্ত একটি বড় স্টিমার ও দুইখানা টাগ স্টিমারের সাহায্যে ঢাকা ও গোয়ালন্দের মধ্যে যাত্রী ও পণ্য পরিবহন করা হতো। এর মধ্যে প্রিন্সেস এলিস নামক স্টিমারটি সে সময় অতি উচ্চমানের এবং বিলাসবহুল ছিল।

আসাম বেঙ্গল রেলওয়েও নিজস্ব স্টিমার সার্ভিসের সাহায্যে চাঁদপুর, গোয়ালন্দ দিয়ে কলকাতা পর্যন্ত তাদের বাণিজ্যিক কাজ পরিচালনা করত। রেলওয়ের ‘জুট স্পেশাল’ স্টিমার সিরাজগঞ্জ থেকে চাঁদপুর পর্যন্ত চলাচল করত। ফলে স্টিমার কোম্পানিগুলো আগে যেভাবে একচেটিয়াভাবে ব্যবসা করে আসছিল রেলওয়ে আসার কারণে তা আর সম্ভব হয়নি।

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন

প্রতিদিন ৩৫০০+ সংবাদ পড়ুন প্রিয়-তে

এই সম্পর্কিত

আরও