কুইক লিঙ্ক : মুজিব বর্ষ | করোনা ম্যাপ | করোনা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাব

যুক্তরাষ্ট্রে করোনায় ২৬৩ জন বাংলাদেশির মৃত্যু

প্রথম আলো প্রকাশিত: ২৩ মে ২০২০, ০১:০১

যুক্তরাষ্ট্রে করোনাভাইরাসে আরও চার বাংলাদেশি মারা গেছেন। এর মধ্যে তিনজন নিউইয়র্কে এবং অন্যজন মিশিগান অঙ্গরাজ্যে মারা গেছেন। এ নিয়ে এখন পর্যন্ত আমেরিকায় করোনাভাইরাসে ২৬৩ জন বাংলাদেশির মৃত্যু হয়েছে। নিউইয়র্কে বসবাসরত মহসিন আহমেদ বাবলু করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে দীর্ঘ দেড় মাস ভোগার পর গতকাল বৃহস্পতিবার রাত ১১টায় মিশিগানের একটি হাসপাতালে মারা গেছেন। আগের দিন বুধবার দিবাগত রাতে নিউইয়র্কের শহরের ব্রুকলিনের বাসিন্দা ব্যবসায়ী শেখ আব্দুর রাজ্জাক মারা যান। নিউইয়র্কের আপ স্টেটের বাফেলো শহরে মারা যান ২২ বছরের তরুণ শাহরিয়ার রহমান নাবিল।

এ ছাড়া নগরীর বাংলাদেশি অধ্যুষিত জ্যামাইকার বাসিন্দা এক নারী করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে দীর্ঘদিন হাসপাতালে ছিলেন। সুস্থ হয়ে বাড়ি ফেরার অপেক্ষায় ছিলেন তিনি। বাড়ি ফেরার সম্ভাব্য দিনেই গত বুধবার রাতে হাসপাতালে মারা যান তিনি। তাঁর এ মৃত্যুর ঘটনা কমিউনিটিতে উৎকণ্ঠার সৃষ্টি করেছে।শুধু শেষোক্ত এ ঘটনাই নয়। খবর নিয়ে জানা গেছে, বাংলাদেশি অনেক নারী–পুরুষ করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে চিকিৎসা নিয়ে সুস্থ হওয়ার পর দ্বিতীয়বার আক্রান্ত হয়েছেন। দ্বিতীয়বার আক্রান্ত রোগীর মধ্যে অনেকে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। আবার অনেকে নিজেদের ঘরেই কোয়ারেন্টিনে রয়েছেন। আর এসব ঘটনা কমিউনিটিতে নতুন করে উদ্বেগের সৃষ্টি করছে। নিউইয়র্কে করোনাভাইরাস সংক্রমণ রোধ করার জন্য ব্যাপকভাবে কনটাক্ট ট্রেসিং শুরু হয়েছে। কনটাক্ট ট্রেসিং করার জন্য ফোন দেওয়া শুরু হয়েছে। অনেকেই এ ধরনের ফোন পাওয়ার পর ভুয়া ফোনকল মনে করে কেটে দিচ্ছেন। গভর্নর অ্যান্ড্রু কুমো গতকাল বৃহস্পতিবার জানান, এমন ফোন পেলে যেন গুরুত্ব দেওয়া হয়। ফোনকলের সঙ্গে সঙ্গে ফোনে বার্তাও দেওয়া হচ্ছে। এসব বার্তাকে গুরুত্ব দিয়ে তা অনুসরণ করার জন্য গভর্নর সবাইকে আহ্বান জানিয়েছেন। করোনাভাইরাস সংক্রমণ হয়েছে এমন কোনো লোকের সংস্পর্শে আসার তথ্য পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে স্বাস্থ্য বিভাগ থেকে নজরদারী করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। কনটাক্ট ট্রেসিং করে লোকজনের সম্ভাব্য সংক্রমণ সম্পর্কে খোঁজ খবর নেওয়া হচ্ছে। আইসোলেশন বা কোয়ারেন্টিনে থাকার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে সংশ্লিষ্টদের। এ ধরনের বার্তা পেলে তাকে নিজের ও পরিবারের অন্য সদস্যদের জন্য জরুরি বিবেচনা করে গুরুত্ব দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন কুমো। নিউইয়র্ক নগরী ও অঙ্গরাজ্যে প্রতি দিনই নতুন নতুন কনটাক্ট ট্রেসার নিয়োগ দেওয়া হচ্ছে।

নিউইয়র্কের মেয়র ডি ব্লাজিও জানান, পরিস্থিতির উন্নতি দেখে মনে করা হচ্ছে জুন মাসের ১ থেকে ১৫ তারিখের মধ্যে নিউইয়র্ক নগরী প্রধম ধাপে খোলার জন্য প্রস্তুত হতে পারে। পরিস্থিতির উন্নতির জন্য সাতটি বিষয়ের মধ্যে চারটি ক্ষেত্রেই নগরীতে উন্নতি লক্ষ্য করা গেছে বলে মেয়র জানিয়েছেন। এগুলোর মধ্যে রয়েছে—টানা ১৪ দিন হাসপাতালে ভর্তির সংখ্যা হ্রাস পাওয়া, টানা ১৪ দিনে মৃত্যুর সংখ্যা হ্রাস পাওয়া, মাসে নগরীর এক হাজার নাগরিকের মধ্যে গড়ে ৩০ জনের টেস্টিং সুবিধা বৃদ্ধি পাওয়া ইত্যাদি। নগরীর এক লাখ নাগরিকের মধ্যে হাসপাতালে ভর্তির গড় সংখ্যা দুজনের নিচে নেমে এসেছে। আগামী কয়েক দিনের মধ্যে নগরীর প্রতি এক লাখ বাসিন্দার জন্য ৩০ জন কনটাক্ট ট্রেসার কাজ করবে বলে মেয়র জানান। মেয়র ডি ব্লাজিও নিউইয়র্ক নগরীর ফ্রি খাবার বিতরণ নিয়ে আবারও তথ্য প্রদান করেছেন। প্রতিদিন নগরীর স্কুল বোর্ডের মাধ্যমে নগরীতে পাঁচ লাখ খাবার বিতরণ করা হচ্ছে। আসছে সপ্তাহ থেকে নিউইয়র্ক নগরীতে ১০ লাখ খাবার বিতরণ করা হবে বলে জানিয়েছেন নিউইয়র্কের মেয়র।

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন

প্রতিদিন ৩৫০০+ সংবাদ পড়ুন প্রিয়-তে

আরও