You have reached your daily news limit

Please log in to continue


উহানে বণ্যপ্রাণী খাওয়া নিষিদ্ধ

করোনা সংকটের কেন্দ্রস্থল বেইজিং বন্যপ্রাণী খাওয়া নিষিদ্ধ করেছে। না খেয়ে প্রজননের জন্য বন্যপ্রাণী ছেড়ে দিতে চীনা কৃষকদের নগদ অর্থ দেওয়া হচ্ছে। বণ্যপ্রাণীর অবৈধ ব্যবসা বন্ধে চীনের ওপর ক্রমবর্ধমান চাপের মধ্যে এসব ঘোষণা এল। বিশ্বজুড়ে ৩ লাখ ২০ হাজারের বেশি মানুষ মারা যাওয়ার পেছনে যে করোনাভাইরাস, তা উহানের একটি বন্যপশুর বাজার থেকে ছড়িয়েছিল বলে অভিযোগ উঠেছে। বার্তা সংস্থা এ্এফপির খবরে জানানো হয়, চীনের কেন্দ্রীয় হুবেই প্রদেশের প্রায় এক কোটি ১০ লাখ লোকের শহর উহানে গত বছরের শেষ দিকে নতুন করোনাভাইরাসের ঘটনা প্রথম রেকর্ড করা হয়। সেখানকার স্থানীয় প্রশাসন বুধবার সব বন্য প্রাণীর খাওয়ার আনুষ্ঠানিক নিষেধাজ্ঞা ঘোষণা করেছে। চীনে বন্যপ্রাণী থেকে করোনাভাইরাস ছড়িয়েছে বলে ধারণা করা হয়। ছবি: রয়টার্স চীনে বন্যপ্রাণী থেকে করোনাভাইরাস ছড়িয়েছে বলে ধারণা করা হয়। ছবি: রয়টার্স করোনা সংকটের কেন্দ্রস্থল বেইজিং বন্যপ্রাণী খাওয়া নিষিদ্ধ করেছে। না খেয়ে প্রজননের জন্য বন্যপ্রাণী ছেড়ে দিতে চীনা কৃষকদের নগদ অর্থ দেওয়া হচ্ছে। বণ্যপ্রাণীর অবৈধ ব্যবসা বন্ধে চীনের ওপর ক্রমবর্ধমান চাপের মধ্যে এসব ঘোষণা এল। বিশ্বজুড়ে ৩ লাখ ২০ হাজারের বেশি মানুষ মারা যাওয়ার পেছনে যে করোনাভাইরাস, তা উহানের একটি বন্যপশুর বাজার থেকে ছড়িয়েছিল বলে অভিযোগ উঠেছে। বার্তা সংস্থা এ্এফপির খবরে জানানো হয়, চীনের কেন্দ্রীয় হুবেই প্রদেশের প্রায় এক কোটি ১০ লাখ লোকের শহর উহানে গত বছরের শেষ দিকে নতুন করোনাভাইরাসের ঘটনা প্রথম রেকর্ড করা হয়। সেখানকার স্থানীয় প্রশাসন বুধবার সব বন্য প্রাণীর খাওয়ার আনুষ্ঠানিক নিষেধাজ্ঞা ঘোষণা করেছে। বৈজ্ঞানিক গবেষণা, জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণ, মহামারি রোগের ওপর নজরদারি এবং অন্যান্য বিশেষ পরিস্থিতির জন্য সরকার অনুমোদিত শিকার ব্যতীত উহানকে একটি বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্য হিসাবে ঘোষণা করে এই শহরটি তার সীমান্তে কার্যত সব বন্যপ্রাণী শিকার নিষিদ্ধ করেছে। উহান বন্যপ্রাণীর বংশবৃদ্ধির বিষয়ে কঠোর নতুন নিয়ন্ত্রণ আরোপ করেছে। এটি স্পষ্ট করে দিয়েছে যে খাদ্য হিসাবে কোনেো বণ্যপ্রাণী লালনপালন করা যাবে না। নগর কর্মকর্তারা বলেছিলেন, স্থানীয় প্রশাসন বৃহত্তর জাতীয় প্রকল্প প্রণযণ করবে। চীনে বন্যপ্রাণী থেকে করোনাভাইরাস ছড়িয়েছে বলে ধারণা করা হয়। ছবি: রয়টার্স চীনে বন্যপ্রাণী থেকে করোনাভাইরাস ছড়িয়েছে বলে ধারণা করা হয়। ছবি: রয়টার্স করোনা সংকটের কেন্দ্রস্থল বেইজিং বন্যপ্রাণী খাওয়া নিষিদ্ধ করেছে। না খেয়ে প্রজননের জন্য বন্যপ্রাণী ছেড়ে দিতে চীনা কৃষকদের নগদ অর্থ দেওয়া হচ্ছে। বণ্যপ্রাণীর অবৈধ ব্যবসা বন্ধে চীনের ওপর ক্রমবর্ধমান চাপের মধ্যে এসব ঘোষণা এল। বিশ্বজুড়ে ৩ লাখ ২০ হাজারের বেশি মানুষ মারা যাওয়ার পেছনে যে করোনাভাইরাস, তা উহানের একটি বন্যপশুর বাজার থেকে ছড়িয়েছিল বলে অভিযোগ উঠেছে। বার্তা সংস্থা এ্এফপির খবরে জানানো হয়, চীনের কেন্দ্রীয় হুবেই প্রদেশের প্রায় এক কোটি ১০ লাখ লোকের শহর উহানে গত বছরের শেষ দিকে নতুন করোনাভাইরাসের ঘটনা প্রথম রেকর্ড করা হয়। সেখানকার স্থানীয় প্রশাসন বুধবার সব বন্য প্রাণীর খাওয়ার আনুষ্ঠানিক নিষেধাজ্ঞা ঘোষণা করেছে। বৈজ্ঞানিক গবেষণা, জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণ, মহামারি রোগের ওপর নজরদারি এবং অন্যান্য বিশেষ পরিস্থিতির জন্য সরকার অনুমোদিত শিকার ব্যতীত উহানকে একটি বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্য হিসাবে ঘোষণা করে এই শহরটি তার সীমান্তে কার্যত সব বন্যপ্রাণী শিকার নিষিদ্ধ করেছে। উহান বন্যপ্রাণীর বংশবৃদ্ধির বিষয়ে কঠোর নতুন নিয়ন্ত্রণ আরোপ করেছে। এটি স্পষ্ট করে দিয়েছে যে খাদ্য হিসাবে কোনেো বণ্যপ্রাণী লালনপালন করা যাবে না। নগর কর্মকর্তারা বলেছিলেন, স্থানীয় প্রশাসন বৃহত্তর জাতীয় প্রকল্প প্রণযণ করবে।
সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন