সরকার প্রধান ও দলীয় প্রধান হিসেবেই কেবল নয়, নানা ব্যক্তি সম্পর্কের মধ্যেও বঙ্গবন্ধুর জনপ্রিয়তা ছিল আকাশছোঁয়া। প্রতিনিয়ত ছেলে, শিশু ও বৃদ্ধ— কেউ না কেউ কিছু উপহার তাঁর কাছে পৌঁছানোর উদ্যোগ নিতেন। ঠিক একইভাবে তাঁর সাক্ষাৎ প্রার্থীরাও ছিলেন। সে কারণে কাজের ক্ষতি যেন না হয়, তাই জনগণের সুবিধা-অসুবিধা জানতে সাক্ষাতের দিন ও সময় কমাতে বাধ্য হন বঙ্গবন্ধু। উপহারের বিষয়ে বঙ্গবন্ধু তাঁর বন্ধুবান্ধব এবং শুভানুধ্যায়ীদের কাছে অনুরোধ জানান যে, তারা যেন উপহার পাঠিয়ে তাঁকে বিব্রত না করেন। বাসস পরিবেশিত খবরের বরাত দিয়ে ২৫ এপ্রিলের দৈনিক বাংলা পত্রিকায় এ সংবাদ প্রকাশিত হয়।
সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন
We use cookies to ensure you get the best experience on our website.