মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা মহান স্বাধীনতা দিবসের প্রাক্কালে জাতির উদ্দেশে ভাষণে সবাইকে বিশ্বব্যাপী করোনা সমস্যা মোকাবিলায় বাংলাদেশেও সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখা, বিদেশ ফেরতদের যত্রতত্র ঘুরে না বেড়িয়ে নিজ গৃহে ১৪ দিনের সংরক্ষিত অবস্থান, ব্যবসায়ীদের নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম না বাড়ানো, ডাক্তার-নার্সসহ স্বাস্থ্যকর্মীদের সাধুবাদ জানানোসহ অন্যান্য অনেক ব্যাপারে যেমন সাবধান এবং স্বস্তি প্রদান করেছেন, সেই সঙ্গে করোনার আঘাতে সম্ভাব্য ক্ষতিগ্রস্ত সমাজের গরিব, অসহায় ও ভাসমান জনগোষ্ঠীর পুনর্বাসনে এবং ব্যবসায়ী- উদ্যোক্তাদের সহায়তায় সরকারের উদ্যোগ নিয়েও বক্তব্য রেখেছেন।মোটাদাগে ব্যবসায়ীদের ব্যাংকঋণ ফেরতের সময় বাড়িয়ে দেওয়া, ঋণ শ্রেণিভুক্তকরনের মেয়াদ বাড়িয়ে দেওয়া, আমদানি দায় নিষ্পত্তির সময় বাড়িয়ে দেওয়া, রফতানি আয় দেশে আনার সময় বৃদ্ধি, এনজিওদের কিস্তি পরিশোধের সময় বৃদ্ধি এবং রফতানি খাতের শ্রমিকদের বেতন-ভাতা পরিশোধে ৫ হাজার কোটি টাকার অনুদানের ঘোষণা দিয়েছেন তিনি। সেই সঙ্গে তিনি ১ লাখ নিম্ন আয়ের লোকদের ভাসানচরে পুনর্বাসন, গরিবদের জেলা প্রশাসনের সহায়তায় ভরনপোষণ এবং স্বাস্থ্য সেবারও আশ্বাস দিয়েছেন। আমরা ইতোমধ্যে বাংলাদেশে করোনা আঘাতের সম্ভাব্য ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ এশীয় উন্নয়ন ব্যাংকের (এডিবি) প্রাথমিক মূল্যায়নে সর্বোচ্চ ২৫ হাজার কোটি টাকা, বাংলাদেশ ট্যারিফ কমিশনের মূল্যায়নে শুধু উৎপাদন ও সেবা খাতে ৫ হাজার কোটি টাকার কথা শুনেছিলাম।
সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন
We use cookies to ensure you get the best experience on our website.