স্বর্ণ ধরে রাখলেন শান্ত-সৌম্যরা

মানবজমিন প্রকাশিত: ১০ ডিসেম্বর ২০১৯, ০০:০০

আরেকটি সোনালী মুহূর্ত উপহার দিলো বাংলাদেশের ক্রিকেটাররা। গতকাল কাঠমান্ডুর কীর্তিপুরে শ্রীলঙ্কাকে ৭ উইকেটে হারিয়ে টানা দ্বিতীয়বারের মতো এসএ গেমসে সোনা জিতলো বাংলাদেশ পুরুষ ক্রিকেট দল। আগের দিন পোখারা ক্রিকেট স্টেডিয়ামে রুদ্ধশ্বাস লড়াইয়ে শ্রীলঙ্কাকে হারিয়েই সোনা জেতে বাংলাদেশ নারী ক্রিকেট দল। এসএ গেমসের ইতিহাসে শতভাগ সফল বাংলাদেশ। আসরে এর আগে একবারই (২০১০) ক্রিকেট অন্তর্ভুক্ত হয়েছিল। ঢাকায় সেবারও স্বর্ণ জেতে বাংলাদেশ।ফাইনালে স্বাগতিক নেপাল না থাকলেও কাঠমান্ডুর কীর্তিপুরে ত্রিভুবন বিশ্ববিদ্যালয় ক্রিকেট মাঠে দর্শকের কমতি ছিলো না। ফাইনাল শুরুর ঘণ্টা খানেক আগে পাঁচ হাজার ধারন ক্ষমতার স্টেডিয়াম প্রায় পূর্ণ হয়ে যায়। স্বাভাবিকভাবে নেপাল ম্যাচের মতো উচ্ছ্বাস ছিল না স্টেডিয়ামে। আগের দিন সালমা-জাহানারাদের খেলা দেখতে পোখারায় এসেছিলেন বাংলাদেশের কর্মকর্তারা। গতকাল সকালেই সৌম্য-শান্তদের উৎসাহ যোগাতে চলে আসেন তারা কাঠমান্ডুতে। টইটুম্বর স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত ফাইনালে টসে জিতে আগে শ্রীলঙ্কাকে ব্যাট করতে পাঠান বাংলাদেশ অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত। ২০তম ওভারের শেষ বলে ১২২ রানে অলআউট হয় লঙ্কানরা। জবাবে টপ অর্ডার ব্যাটসম্যানদের দৃঢ়তায় ১১ বল হাতে রেখেই ম্যাচ জিতে যায় বাংলাদেশ। অপরাজিত ৩৫ রানের ইনিংসে জয় নিয়ে মাঠ ছাড়েন অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত। ওপেনার সাইফ হাসান করেন দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ৩৩ রান। রান তাড়ায় দলকে ভালো শুরু এনে দেন দুই ওপেনার সাইফ হাসান ও সৌম্য সরকার। উদ্বোধনী জুটিতে ৭.৫ ওভারে ওঠে ৪৪ রান। ২৮ বলে চারটি চারে ২৭ রান করা সৌম্যকে ফিরিয়ে জুটি ভাঙেন কামিন্দু মেন্ডিস। অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্তর সঙ্গে সাইফের ২২ বলের দ্বিতীয় উইকেট জুটিতে আসে ৩৯ রান। শুরুতে দেখে শুনে খেললেও এই জুটিতে সাইফ ছিলেন আগ্রাসী। সাচিন্দু কলম্বাগের টানা দুই বলে দুটি ছক্কা মারেন তিনি। রান আউট হওয়ার আগে ৩০ বলে তিনটি চার ও দুই ছক্কায় সাইফ করেন ৩৩ রান। ১৬ বলে একটি করে ছক্কা ও চারে ১৯ রান করে ইয়াসির আলীর ফেরার সময় দল জয় থেকে ১৫ রান দূরে। আফিফ হোসেনকে নিয়ে বাকি কাজটা সারেন অধিনায়ক শান্ত। তার ২৮ বলের ইনিংসে ছিল দুটি চার ও একটি ছক্কা।এর আগে টস হেরে ব্যাটিংয়ে নামা লঙ্কানদের শুরুটা ছিল ঝড়োগতির। দুই ওপেনার পাথুম নিশাঙ্কা ও নিশান মাদুশাঙ্কা ৪ ওভারে তোলেন ৩৩ রান। ২২ রান করে নিশাঙ্কা রান আউট হওয়ার পরই বদলে যায় চিত্র। আগের ম্যাচে বাংলাদেশের বিপক্ষে ঝড়ো ব্যাটিং করা লাসিথ ক্রুসপুল ও অলরাউন্ডার কামিন্দু মেন্ডিসকে এক ওভারেই ফেরান পেসার হাসান মাহমুদ। পেসার সুমন খানের শিকার মাদুশাঙ্কা। পরে দুই স্পিনার তানভির ইসলাম ও মেহেদি হাসানও উইকেট শিকারে যোগ দিলে শ্রীলঙ্কা উইকেট হারাতে থাকে নিয়মিত বিরতিতে। শাম্মু আশানের ২০ বলে ২৫ রান কিছুটা এগিয়ে নিয়েছিল দলকে। সৌম্য সরকারের করা ইনিংসের শেষ ওভারে ১২ রান এলে লঙ্কানদের রান ছাড়ায় ১২২। বল হাতে ১৮ রানে ৩ উইকেট নিয়ে ম্যাচসেরা হয়েছেন পেসার হাসান মাহমুদ।

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন

এই সম্পর্কিত

আরও