You have reached your daily news limit

Please log in to continue


২০০ পুরুষের শয্যাসঙ্গী, অতঃপর...

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম কি যৌন আসক্তিকে বাড়িয়ে দিতে পারে? এ প্রশ্নের উত্তরে লঁরা জেড উডরাফ মনে করেন, অবশ্যই পারে। অন্তত নিজের জীবন দিয়ে তিনি তা হাড়ে হাড়ে উপলব্ধি করেছেন। একাধিক পুুরুষের সঙ্গে তিনি যৌন আসক্তিতে পড়েছেন। তাদের সঙ্গে যৌন সম্পর্ক স্থাপন করেছেন। এমন পুরুষের সংখ্যা হবে প্রায় ২০০। অবশেষে যখন হুঁশ ফিরেছে তখন এ পথ থেকে ফিরেছেন। এসব নিয়েই তিনি একটি বই লিখেছেন। তাতে সব স্বীকার করেছেন লঁরি। এতে তিনি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ইন্সটাগ্রামকে বর্ণনা করেছেন ‘প্রলোভনের খেলার মাঠ’ বা প্লেগ্রাউন্ড অব টেম্পটেশন’ হিসেবে। বৃটেনের শেফিল্ডে বসবাসকারী এই যুবতী ইন্সটাগ্রামের মাধ্যমে পুরুষের সঙ্গে সম্পর্কে আবদ্ধ হয়েছেন। তারপর তাদের সঙ্গে সাক্ষাত হয়েছে। এক রাতের জন্য তাদের সঙ্গে যৌন সম্পর্ক স্থাপন করেছেন। লঁরি স্বীকার করেন, এভাবে অবৈধ সম্পর্ক স্থাপন করাটা অনেক সহজ। এ জন্যই এত বেশি মানুষ নিয়মিত যৌনতায় আসক্ত হচ্ছে। সাবেক এই যৌন আসক্ত যুবতী লঁরি তার কুমারিত্ব হারান মাত্র ১২ বছর বয়সে। অর্থাৎ ওই সময়েই তিনি যৌন সম্পর্ক স্থাপন করেন। টিনেজ বয়সে তা তার মধ্যে আসক্তি সৃষ্টি করে। যৌনতার আগ্রহ বাড়তেই থাকে। বয়স যখন ২০ পেরিয়েছে তখন থেকে ২৯ বছর বয়সের মধ্যে তিনি ১০০ থেকে ২০০ পুরুষের সঙ্গে যৌনতায় মেতেছিলেন। এসব পুরুষের বেশির ভাগের সঙ্গে তার প্রেম বা সম্পর্ক গড়ে উঠেছিল সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে। বর্তমানে তার বয়স ৩০ বছর। তিনি বৃটিশ একটি পত্রিকাকে বলেছেন, ইন্সটাগ্রাম হলো প্রলোভনের পূর্ণাঙ্গ এক ময়দান। আমার সবচেয়ে খারাপ বিষয়টি ছিল যে, যার সঙ্গে আমার পরিচয় হতো সেই নতুন নতুন পুরুষের সঙ্গে আমি শয্যাসঙ্গী হতে থ্রিল অনুভব করতাম। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম আমাকে সেটা সহজ করে দিয়েছিল। এ জন্য আমার বার-এ যাওয়ার প্রয়োজন হতো না। দামি ডেটিং অ্যাপ ব্যবহারের দরকার পড়তো না। আমি বাসায় বসে অনায়াসে ইন্সটাগ্রাম ব্যবহার করে কয়েক মিনিটের মধ্যে মনের রসদ যোগাড় করে নিতাম।লঁরি নিজে যৌন সম্পর্ক না খুঁজলেও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অফারে সয়লাব হয়ে যেতেন তিনি। এর মধ্যে তিনি বেছে বেছে সঙ্গী নির্বাচন করতেন। তবে তাদের কেউ কেউ আবার তাকে বিপদজনক অবস্থায় নিয়ে যেতেন। এমনই একজন সুদর্শন যুবক তার হৃদয়ের স্পন্দনকে পরিবর্তন করে দিয়েছিলেন। এক পর্যায়ে তিনি আতঙ্কিত হয়ে পড়েন। এ পথ থেকে তিনি ফেরার সিদ্ধান্ত নেন। ফলে যোগাযোগ করেন একটি ওয়েবসাইটের সঙ্গে। এটি হলো ‘সেক্স অ্যান্ড লাভ অ্যাডিক্টস অ্যানোনিমাস’ (এসএলএএ)। তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করলেন লঁরি। তারা তাকে ১২ ধাপের কর্মসূচি দিল। সেখানে গিয়ে একই রকম আরো আসক্তের এবং বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ পেলেন তিনি। নিয়মিত তাদের মিটিংয়ে উপস্থিত হতে লাগলেন। এই প্রক্রিয়ায় তিনি নিজের অভিজ্ঞতা নিয়ে একটি বই লেখার সিদ্ধান্ত নিলেন। লিখেও ফেললেন বই। প্রকাশিত হয়েছে সেই বই। দাম ৯.৯৯ পাউন্ড।
সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন