ছবি সংগৃহীত

রাজধানীতে ব্যাঙের ছাতার মতো প্রাইভেট সিকিউরিটি সার্ভিস - দৈনিক জনকণ্ঠ

প্রিয় ডেস্ক
ডেস্ক রিপোর্ট
প্রকাশিত: ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০১৭, ২৩:১১
আপডেট: ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০১৭, ২৩:১১

ফাইল ছবি

(প্রিয়.কম) রাজধানীতে ব্যাঙের ছাতার মতো গজিয়ে উঠেছে প্রাইভেট সিকিউরিটি সার্ভিস। সরকারী নীতিমালা ছাড়াই পরিচালিত হচ্ছে এসব সিকিউরিটি সার্ভিস। চরমভাবে অবহেলিত হচ্ছে এ সেক্টরে কাজ করা নিরাপত্তা কর্মীরা। এদের যেন দেখার কেউ নেই। নিয়োগ পদ্ধতি, বেতন কাঠামো, শ্রমঘণ্টা, স্বাস্থ্য পরীক্ষা, প্রশিক্ষণ, দায়দায়িত্ব, কর্তন এসব বিষয়ে কর্তৃপক্ষ তাদের সুবিধা মতো করছে। কাজ করিয়ে বেতন না দেয়া যেন নিত্যদিনের ঘটনায় পরিণত হয়েছে।

শনিবার দৈনিক জনকণ্ঠে প্রকাশিত ‘রাজধানীতে ব্যাঙের ছাতার মতো প্রাইভেট সিকিউরিটি সার্ভিস’ শীর্ষক এক প্রতিবেদনে এসব তথ্য উঠে এসেছে।

প্রতিবেদন থেকে জানা গেছে, সরকারী অফিসে নিরাপত্তা কর্মী নিয়োগ দিতে পারলে কোম্পানির পোয়াবারো হয়ে যায়। সামান্য পরিচয়েই চলছে গার্ড নিয়োগ। যাচাই-বাছাইয়ের কোনো বালাই নেই এতে। অনেক ক্ষেত্রে নিয়োগে যোগ্যতা ও বয়স বিচার করা হয় না। কিছু কিছু ক্ষেত্রে সিকিউরিটি সার্ভিস প্রতিষ্ঠানগুলো প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করলেও তা নিজস্ব পদ্ধতিতে চলে। বেতন প্রদান ও পরিমাণ-নির্ভর করছে স্ব স্ব সিকিউরিটি সার্ভিসের গৃহীত সিদ্ধান্তের ওপর। বিশেষজ্ঞরা মনে করেন সরকারের একটু সুদৃষ্টি বদলে দিতে পারে এই সেক্টরে কর্মরতদের ভাগ্য। গড়ে উঠতে পারে সম্ভাবনাময় এই সেক্টর একটি শিল্প হিসেবে।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, রাজধানীতে ৩০০ এর মতো প্রাইভেট সিকিউরিটি সার্ভিস প্রতিষ্ঠান রয়েছে। দেশের কয়েক লাখ যুবক-মধ্যবয়সীরা কাজ করে কোনো রকমে জীবিকা নির্বাহ করছে সরকারের দৃষ্টি সীমার বাইরে থাকা এই সেক্টরে। এসব প্রতিষ্ঠান থেকে ঢাকা মহানগরী ও ঢাকার বাইরেও লোকবল সরবরাহ করা হয়। ব্যাংক, বীমা, শিল্পপ্রতিষ্ঠান, ব্যবসায় প্রতিষ্ঠান, সরকারী-বেসরকারী হাসপাতাল, বাসাবাড়িসহ বিভিন্ন আর্থিক প্রতিষ্ঠানে সিকিউরিটি সার্ভিসগুলো নিরাপত্তা কর্মী সরবরাহ করে থাকে। যার মধ্যে সিংহভাগ প্রাইভেট সিকিউরিটি সার্ভিস এ্যাসোসিয়েশনের সদস্য এবং কিছু আছে সদস্য ছাড়া। প্রাইভেট কোম্পানিগুলোর মধ্যে কিছু আছে অনুমতিপ্রাপ্ত আবার কিছু আছে অনুমোদন ছাড়া।

 প্রতিবেদন থেকে আরও জানা গেছে, বিভিন্ন নামে-বেনামে চলছে এ ধরনের ব্যবসা। সিটি করপোরেশনের ট্রেড লাইসেন্স আর জয়েন্ট স্টক কোম্পানির নিবন্ধকের কার্যালয় থেকে নিবন্ধন এ সার্ভিসগুলোর মূল দলিল হিসেবে বিবেচিত হয়। অল্প পুঁজিতে অত্যন্ত লাভজনক এ ব্যবসায়। ফলে মধ্যস্বত্বভোগীরা এ ব্যবসায় বেশি লাভবান হচ্ছে।

প্রিয় সংবাদ/আশরাফ