ছবি সংগৃহীত

সন্দ্বীপে বিএনপি সাংসদ কামাল পাশার বাড়িতে হামলা, ছেলে গুলিবিদ্ধ

priyo.com
লেখক
প্রকাশিত: ২৪ নভেম্বর ২০১৩, ১৪:২১
আপডেট: ২৪ নভেম্বর ২০১৩, ১৪:২১

চট্টগ্রামের সন্দ্বীপে বিএনপির সংসদ সদস্য মোস্তফা কামাল পাশার বাড়িতে আওয়ামী লীগ কর্মীরা ভাঙচুর, লুটপাট ও আগুন দিয়েছে। এ সময় কামাল পাশার ছেলে জাভেদ ইকবাল পাশা গুলিবিদ্ধ হয়েছেন। পাশা ও তার স্ত্রী বর্তমানে থানায় অবস্থান করছেন। তাদের গ্রেফতার করা হয়েছে নাকি নিরাপত্তা হেফাজতে আনা হয়েছে তা এখনো নিশ্চত করা সম্ভব হয়নি। রোববার বিকেলে এ ঘটনা ঘটে। সন্দ্বীপের স্থানীয়রা জানান, সকালে আওয়ামী লীগ-বিএনপি কর্মীদের মধ্যে এক দফা সংঘর্ষ ও বিকেলে তাদের মধ্যে দ্বিতীয় দফা সংঘাতের ঘটনায় উভয়পক্ষের কমপক্ষে ২১ জন গুলিবিদ্ধসহ ৩০ জন আহত হয়েছেন। জেলা পুলিশ সুপার এ কে এম হাফিজ আকতার সংঘর্ষের বিষয়টি স্বীকার করে জানান, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের জন্য সর্বাত্মক ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। সেখানে আরো পুলিশ ফোর্স পাঠানো হচ্ছে। চট্টগ্রাম উত্তর জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি ইঞ্জিনিয়ার বেলায়েত হোসেন জানান, উড়িরচর ও ভাটার চর থেকে কুখ্যাত জলদুস্যদের ভাড়া করে এনে আওয়ামী লীগ নেতা ও সাবেক সংসদ সদস্য মোস্তাফিজের ছেলে মিতা রহমানের নেতৃত্বে আওয়ামী লীগ-ছাত্রলীগের একদল সশস্ত্র কর্মী বিএনপি নেতা মোস্তফা কামাল পাশার রহমতপুরস্থ বাড়িতে হামলা, ভাঙচুর, লুটপাট ও আগুন দেয়। এ সময় এমপির ছেলে জাভেদ রাইফেলের গুলিতে গুরুতর আহত হয়েছেন। তাকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেয়া হয়েছে। তিনি জানান, হামলাকারীদের অনেকেই প্রকাশ্যে রাইফেল ও নাইন শুটার বন্দুক সজ্জিত ছিল। প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয় সুত্র জানায়, শনিবার রহমতপুর এলাকায় আকবর হোসেন ফকির নামে এক ছাত্রলীগ কর্মীর ওপর হামলা চালায় বিএনপি কর্মীরা। এ ঘটনার জের ধরে রোববার সকাল থেকে এমপি পাশার রহমতপুর বাড়ীঢর আশেপাশে দুই পক্ষের মধ্যে থেমে থেমে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া ও গুলিবিনিময়ের ঘটনা ঘটছিল। সকাল থেকে দুপুর তিনটা পর্যন্ত হামলায় সাতজনসহ উভয়পক্ষের বেশ কয়েকজন আহত হন। বিকেল চারটার দিকে আওয়ামী লীগ নেতা মিতা রহমানের নেতৃত্বে ৩০/৪০ জনের একটি সশস্ত্র গ্রুপ মোস্তফা কামালের বাড়িতে গুলি করতে করতে এলোপাতাড়ি ভাঙচুর ও লুটপাট চালায়। এক পর্যায়ে হামলাকারীরা সংসদ সদস্যের বাংলো ও গোয়াল ঘরে আগুন ধরিয়ে দেয়। এ সময় জাভেদসহ প্রায় ১৪ জন গুলিবিদ্ধসহ প্রায় ২৫ জন আহত হন। পরে পুলিশ পাশা ও তার স্ত্রীকে থানায় নিয়ে যায়।