ছবি সংগৃহীত
অন্য ভুবনের যে ভৌতিক মানুষগুলো এসেছিলো এই পৃথিবীতেই!
প্রকাশিত: ২৩ আগস্ট ২০১৫, ১৬:৪৯
আপডেট: ২৩ আগস্ট ২০১৫, ১৬:৪৯
আপডেট: ২৩ আগস্ট ২০১৫, ১৬:৪৯
(প্রিয়.কম)- এই পৃথিবীতে আমাদের আশেপাশেই ঘটে চলেছে বিচিত্র সব ঘটনা, যার অনেকগুলোই আমাদের চিন্তাভাবনার বাইরে। পৃথিবী ছাড়াও কি আছে অন্য কোনো জগৎ? আর যদি থাকেই, এই রহস্যময় মানুষগুলো কি সেই জগৎ থেকেই আগত? তারা কি আসলেও মানুষ ছিলো, না অন্য কিছু বা অন্য কোন প্রাণী? আসুন জানি পৃথিবীতে ঘটে যাওয়া এসব অমীমাংসিত সত্য ঘটনা, যা পড়তে গেলে আতঙ্কের স্রোত বয়ে যাবে আপনার দেহে!
১) গ্রিন চিলড্রেন
মধ্যযুগে লন্ডনের উলপিট গ্রামে হঠাৎ করেই উদয় হয় দুই অদ্ভুত ভাই-বোন। বলা হয়, তাদেরকে খুঁজে পাওয়া যায় নেকড়ের বাসায়। তাদের পরনে ছিলো অস্বাভাবিক পোশাক। দুর্বোধ্য এক ভাষায় কথা বলতো তারা নিজেদের মাঝে। সবচাইতে অদ্ভুত ব্যাপার, তাদের ত্বক ছিলো সবুজ রঙের। তাদেরকে গ্রামে নিয়ে আসার পর তারা ভয় পেয়ে লুকিয়ে যায় এবং বেশ কিছুদিন ধরে কিছু না খেয়েই থাকে। এরপর তারা নিজেরাই খুঁজে পায় কাঁচা সীমের বিচির গুদাম। সবটা খেয়ে শেষ করে ফেলে এই দুজন। ছেলেটি কিছুদিন পর অসুস্থ হয়ে মারা যায়। কিন্তু মেয়েটি ধীরে ধীরে সুস্থ হয়ে ওঠে। তার ত্বকের সবুজ আভা দূর হয়ে যায়। ইংরেজিতে কথা বলতে শেখে মেয়েটি। সে জানায়, সেন্ট মার্টিন নামের এক এলাকা থেকে এসেছে, যেখানে সব সময় আলো-আঁধারি থাকে। কী করে সে ওখান থেকে এলো, তার ত্বক কেনই বা সবুজ ছিলো, তা রয়ে যায় অজানা। সে নাকি ওখানে তার ভাইয়ের সাথে গরু চরাচ্ছিলো। হঠাৎ বিকট এক শব্দ হয়, এরপর তারা নিজেদেরকে আবিষ্কার করে ইংল্যান্ডের সেই গ্রামে।২) ম্যান ফ্রম টরেড
১৯৫৪ সালে টোকিওর হানেদা এয়ারপোর্টে এসে হাজির হয় এমন এক শ্বেতাঙ্গ মানুষ, যার পাসপোর্ট ছিলো বিচিত্র। সে দাবি করে সে টরেড নামের কোনো এক জায়গা থেকে এসেছে। তাকে ম্যাপ দেখানো হয় এবং দেখা যায়, টরেড বলতে আসলে কোনো জায়গা নেই। সে জায়গায় আছে অ্যান্ডোরা। অথচ তার পাসপোর্ট দেখে আসলই মনে হয়। এই পাসপোর্টে বিভিন্ন দেশের এয়ারপোর্টের সিলও ছিলো। অদ্ভুত ব্যাপার হলো, তার পাসপোর্টে দেখা যায় ৫ বছর আগে টোকিওতে আসার প্রমাণ, কিন্তু টোকিওর এয়ারপোর্ট মাত্র দুই বছর ধরে চালু ছিলো তখন। এই ব্যক্তির কাছে বেশ কিছু ইউরোপীয় দেশের মুদ্রা ছিলো, তার দখলে ছিলো বেশ কিছু ভাষা এবং তিনি দাবি করেন টরেড দেশটি কয়েক শতাব্দীর পুরনো। তার ব্যাপারে তদন্ত চলাকালীন সময়ে তিনি রুম থেকে সবার অলক্ষ্যে বের হয় উধাও হয়ে যান। তাকে আর কখনোই দেখা যায়নি।৩) উৎসুরো-বুনে
উৎসুরো-বুনে অর্থ ফাঁপা নৌকা। ১৮০৩ সালে হিটাচি এলাকার নিকটবর্তী সাগরের তীরে এক সুন্দরী নারীর আগমনের তথ্য পাওয়া যায় বেশ কিছু জাপানি সুত্র থেকে। স্থানীয় জেলেরা তাকে পায় এমন এক ফাঁপা “নৌকা”র ভেতরে, যা তৈরি ছিলো ধাতব পাত দিয়ে, এবং এর ছিলো স্বচ্ছ স্ফটিকের জানালা। কী, স্পেসশিপের বর্ণনা মনে হচ্ছে না? বলা হয়, এই নারীর ত্বক ছিলো শুভ্র, চুল ছিলো লাল, ভাষা দুর্বোধ্য। সে হাতে আঁকড়ে ছিলো এক ছোট চৌকো বাক্স। তার ব্যাপারে এর বেশি কিছু জানা যায় না। কারণ স্থানীয়রা তার ব্যাপারে ছিল ভীত। তারা আবার মেয়েটিকে সাগরে ভাসিয়ে দেয়।৪) জোফার ভরিন
ব্রিটিশ জার্নাল Atheneum এর ১৮৫১, এপ্রিল ৫ ইস্যুতে এক আগন্তুকের কথা বলা হয় যে নিজের নাম জোফার ভরিন বলে দাবি করে। জার্মানির ফ্রাঙ্কফুর্টের কাছে এক গ্রামে সে উদ্দেশ্যহীনভাবে ঘুরে বেড়াচ্ছিল। সে জানতো না সে কেন এবং কীভাবে সেখানে এসে পড়ে। ভাঙা ভাঙা জার্মানের পাশাপাশি সে এমন দুটি ভাষা জানতো, যেগুলোকে সে বলতো লাক্সারিয়ান এবং আব্রামিয়ান। সে বলে, সে পৃথিবীর সাক্রিয়া এলাকার লাক্সারিয়া দেশ থেকে এসেছে। সেই দেশ এবং ইউরোপের মাঝে বিশাল এক সাগর রয়েছে। সে এক হারিয়ে যাওয়া ভাইকে খুঁজতে ইউরোপে আসতে চেয়েছিলো বলে জানায়। কিন্তু এক পর্যায়ে সাগরে তার জাহাজ বিধ্বস্ত হবার পর কী হয়, তা মনে নেই তার।৫) জেরোম
১৮৬৩ সালে নোভা স্কশিয়ার স্যান্ডি কোভ বীচে এক ব্যক্তিকে পড়ে থাকতে দেখা যায়। দেখা যায়, তার দুইটি পা-ই হাঁটু থেকে নিপুণভাবে কেটে বাদ দেওয়া হয়েছে। বেশীরভাগ তথ্য থেকে জানা যায়, তিনি কোনো ভাষাতেই কথা বলতে পারতেন না। তবে এমন একটি নাম বলেন যা শুনতে “জেরোম” এর মতো শোনায়। তিনি কোথা থেকে আসেন তা জানা যায় না, কিন্তু স্থানীয়রা সেই সময়েই সাগরে এমন এক জাহাজ আবিষ্কার করে যা আগে কখনো দেখা যায়নি। এরপর জেরোম বেশীরভাগ সময় নীরব থাকতেন। কিন্তু একদিন দুই সুন্দরী নারী এসে তাকে আলাদা করে ডেকে নিয়ে এক দুর্বোধ্য ভাষায় কথা বলে। এরপর সেই নারীরা আবার উধাও হয়ে যায়। তারা কে ছিলেন। কোথা থেকে এসেছিলেন এ ব্যাপারেও কিছু জানা যায় না। [video: https://www.youtube.com/watch?v=igRbL9HpqFw] ফটো ক্রেডিট: www.youtube.com
৬ ঘণ্টা, ৫৯ মিনিট আগে
৭ ঘণ্টা, ৮ মিনিট আগে
৭ ঘণ্টা, ১০ মিনিট আগে
৭ ঘণ্টা, ৫১ মিনিট আগে
৭ ঘণ্টা, ৫২ মিনিট আগে
১৭ ঘণ্টা, ১০ মিনিট আগে
১৭ ঘণ্টা, ১৮ মিনিট আগে
১৭ ঘণ্টা, ৪৭ মিনিট আগে
১৮ ঘণ্টা, ১২ মিনিট আগে