অবশেষে শুরু হলো তুরস্ককে এস-৪০০ হস্তান্তর প্রক্রিয়া

মানবজমিন প্রকাশিত: ২০১৯-০৭-১৩ ০০:০০:০০

নানা জল্পনা কল্পনার সমাপ্তি ঘটিয়ে অবশেষে তুরস্কে পৌঁছালো রুশ আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা এস-৪০০ এর একাংশ। যুক্তরাষ্ট্র ও ন্যাটোর প্রবল আপত্তি এবং হুমকির মধ্যেই তুরস্কে এস-৪০০ রপ্তানি প্রক্রিয়া শুরু হলো। রাশিয়া থেকে আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা কিনলে তুরস্কের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞার হুমকি দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। তবে প্রথম থেকেই এস-৪০০ ইস্যুতে যুক্তরাষ্ট্রের হুমকির কড়া জবাব দিয়ে আসছে তুরস্ক। বার্তা সংস্থা রয়টার্সের খবরে বলা হয়, তুর্কি রাজধানী আঙ্কারার একটি বিমান ঘাঁটিতে নিয়ে যাওয়া হয়েছে এস-৪০০। দেশটির প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় ইতিমধ্যে এ খবর নিশ্চিত করেছে। গত কয়েক মাস ধরেই যুক্তরাষ্ট্র ও তুরস্কের মধ্যে সম্পর্ক উত্তপ্ত হয়েছিল এ ইস্যুতে। আঙ্কারার সঙ্গে থাকা একটি সামরিক চুক্তিও ভেঙ্গে দেয় ওয়াশিংটন। তাছাড়া তুর্কি অর্থনীতির ওপর নানাভাবে চাপ দিতে থাকে যুক্তরাষ্ট্র। ফলে দেশটির মুদ্রা লিরার মান কমে যেতে শুরু করে। তুরস্কের প্রতিরক্ষা শিল্পের মহাপরিচালক বলেন, সামনের দিনগুলোতে এর বাকি অংশ আসা অব্যাহত থাকবে। সম্পূর্ণ অংশ চলে এলেই কাজ শুরু করবে এস-৪০০। ফ্লাইটরাডার২৪ ওয়েবসাইট জানায়, শুক্রবার কমপক্ষে ২টি রুশ কার্গো প্লেন তুরস্কের দিকে উড়ে গেছে। তুরস্কের গণমাধ্যম জানিয়েছে, প্রথম বিমানটি অবতরণ করেছে একদম সকালে। দ্বিতীয়টি অবতরণ করে দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে। রুশ সামরিক কর্মকর্তারা নিশ্চিত করেছেন যে, তুরস্ককে এস-৪০০ হস্তান্তর প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। শিডিউল অনুযায়ী সম্পূর্ণ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাটি আঙ্কারার হাতে তুলে দেয়া হবে। বার্তা সংস্থা তাসকে এক রুশ কর্মকর্তা জানিয়েছে যে, শিগগিরই দ্বিতীয় দফায় যন্ত্রাংশ প্রেরণ করা হবে। তৃতীয় দফা যন্ত্রাংশ পাঠানো হবে পরবর্তী গ্রীষ্মে। তাতে থাকবে ১২০টি ক্ষেপণাস্ত্র। এটি পাঠানো হবে জাহাজের মাধ্যমে। রাশিয়ায় ২০ তুর্কি কর্মকর্তা ও সেনাসদস্য এস-৪০০ পরিচালনার প্রশিক্ষণ নিচ্ছে। আরো ৮০ কর্মকর্তাকে শিগগিরই প্রশিক্ষণের জন্য রাশিয়া পাঠানো হবে।

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন