অভিযোগের সংখ্যা বাড়ছে

মানবজমিন প্রকাশিত: ২০১৯-০৬-২৭ ০০:০০:০০

জুন ক্লোজিংয়ের নামে মৌলভীবাজার পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির গ্রাহকদের কাছ থেকে নেয়া ভুতুড়ে বিলের সংখ্যা বেড়েছে। বুধবার মানবজমিনে ভুতুড়ে বিলের সংবাদ প্রকাশিত হওয়ার পর এ প্রতিবেদকের কাছে অনেক ক্ষুব্ধ গ্রাহক অতিরিক্ত বিল নেয়ার অভিযোগ করেছেন। শহরের স্টেশন রোডের পৌর সুপার মার্কেটের ভাড়াটে মনির হোসেন বলেন তার হিসাব নং-১৮৬/৩০১৫ বাণিজ্যিক মিটার। তিনি অভিযোগ করেন, প্রতি মাসে ধাপে ধাপে তার বিল বাড়িয়ে দেয়া হচ্ছে। তার এপ্রিল মাসের বিল আসে ১১২৩ টাকা, মে মাসে বিল দেয়া হয় ২৩৬৮ টাকা। অথচ তিনি দুই মাসে একই পরিমাণ বিদ্যুৎ ব্যবহার করেন। শহরতলীর লালবাগ আবাসিক এলাকার বাসিন্দা জুয়েল আহমেদ যার হিসাব নং-০৬০/১১৬৫ অভিযোগ করেন, বিগত ৪ মাস ধরে তার হিসাব মিটারে ৪০২ থেকে ৪৬২ টাকা হারে বিল দেয়া হয়। অথচ জুন মাসে হঠাৎ বিল আসে ১৬২৯ টাকা। বিরাহিমপুর এলাকার গ্রাহক কাজী আবদুল গফুর মিয়া অভিযোগ করেন, গত মে মাসে তার ১৩৬৫ টাকা বিল এলেও জুন মাসে বিল দেয়া হয়েছে ২৯৩৬ টাকা। এর আগে এপ্রিলে বিদ্যুৎ বিল দেয়া হয়েছিল ৬৬৮ টাকা। অথচ জুন মাসে তার এক ছেলে ঢাকায় চলে যাওয়ায় একটি ফ্যানে বিদ্যুৎ ব্যবহার হয়নি। তবুও অতিরিক্ত বিল এসেছে। উপজেলার মোহাজেরাবাদ গ্রামের আবদুল হাকিমের স্ত্রী হাজেরা খাতুন যার হিসাব নং-০৪৫/২০০৭ এর এপ্রিল মাসে বিল আসে ৭৯৯ টাকা, মে মাসে বিল আসে ১৯৮৯ টাকা আর জুন মাসে বিল আসে ২ হাজার টাকা। এভাবে প্রতি মাসেই বিলের টাকার পরিমাণ বৃদ্ধি পাচ্ছেকমলগঞ্জ ভানুগাছ বাজারের ৭নং ওয়ার্ডের গ্রাহক সামাদ রহমান (মিটার নং-১২২২) নামে আরেক গ্রাহকের হিসাব নং-১২২২/৩৮০ এপ্রিলের বিল দেয়া হয় ৩১০ টাকা, মে মাসে এসে বিলের টাকা দাঁড়ায় ৪৯৫ এবং জুনের বিল দেয়া হয় ৭২৩ টাকা যা ১২ই জুলাইয়ের মধ্যে পরিশোধ করতে বলা হয়। এনামুল হক নামে এক গ্রাহকের ছেলে অভিযোগ করেন, তাদের মিটারে গত মে মাসে বিল ৬৬৮ টাকা এলেও জুন মাসে বিল দেয়া হয় ১৩৬৮ টাকা। উত্তর ভাড়াউড়ার বাসিন্দা মামুন আহমেদ লিটন (হিসাব নং-১৯৪/১৬২০) অভিযোগ করেন, এই প্রথম তার হিসাবে জুন মাসের বিল পরিশোধের শেষ তারিখ দেয়া হয়েছে ২৮শে জুন। বেশির ভাগ গ্রাহক অভিযোগ করেন, পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি থেকে বিলি করা জুনের বেশির ভাগ হিসাবে অতিরিক্ত বিল দেয়া হয়েছে। অনেক মিটার রিডার তাদের সরজমিন মিটার প্রদর্শন না করেই আন্দাজের ওপর রিডিং লিখে বিলে তুলে দেয়া হয়। মৌলভীবাজার পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির শ্রীমঙ্গলস্থ সদর দপ্তরের পরিচালনা বোর্ডের সহসভাপতি এলাকা পরিচালক জহির আহমেদ শামিম বলেন, ভুতুড়ে বিলের মৌখিক অভিযোগ অনেক গ্রাহকের কাছ থেকে পাচ্ছি। আগামী জুলাই মাসে সমিতির বোর্ড মিটিংয়ে বিষয়টি উত্থাপন করে এর জবাব চাইব।

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন