আবারো মিসাইল পরীক্ষা শুরু করেছে উত্তর কোরিয়া

মানবজমিন প্রকাশিত: ২০১৯-০৫-০৫ ০০:০০:০০

দক্ষিণ কোরিয়া থেকে পাওয়া খবরে বলা হচ্ছে যে, উত্তর কোরিয়া ছোট-পরিসরের একাধিক ক্ষেপণাস্ত্রের পরীক্ষা চালিয়েছে। দক্ষিণ কোরিয়ার সেনাবাহিনীর যৌথ প্রধানদের বরাত দিয়ে জানানো হয় যে, উত্তর কোরিয়ার পূর্বাঞ্চলের হোদো উপদ্বীপ থেকে চালানো হয় এই পরীক্ষা। গত মাসে পিয়ংইয়ংয়ের এক বিবৃতিতে এই পরীক্ষামূলক উৎক্ষেপণে ব্যবহার হওয়া অস্ত্রকে নতুন ‘ট্যাকটিক্যাল গাইডেড ওয়েপন’ বা কৌশলগত নির্দেশিত অস্ত্র হিসেবে আখ্যা দেয়া হয়েছে। এ খবর দিয়েছে বিবিসি বাংলা। ভিয়েতনামে অনুষ্ঠিত হওয়া উত্তর কোরিয়ার নেতা কিম জং উন এবং মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রামেপর বৈঠকের পর এই প্রথম পারমাণবিক অস্ত্র পরীক্ষা করলো উত্তর কোরিয়া। উত্তর কোরিয়া ‘পূর্ব উপকূলের হোদো উপদ্বীপের ওনসান শহর থেকে উত্তর-পূর্ব দিকে একাধিক ছোট পরিসরের মিসাইলের পরীক্ষামূলক উৎক্ষেপণ করেছে’ বলে দক্ষিণ কোরিয়ার সেনাবাহিনীর যৌথ প্রধানরা একটি বিবৃতি প্রকাশ করেন।এতে বলা হয়, মিসাইলটি ৭০ থেকে ২০০ কিলোমিটার দূরত্ব অতিক্রম করে। এর আগেও বড় পরিসরের ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষা এবং ক্রুজ মিসাইল উৎক্ষেপণের জন্য হোদো উপদ্বীপকে ব্যবহার করা হয়েছে। উত্তর কোরিয়ার সংবাদ মাধ্যম কেসিএনএ’র ভাষ্য অনুযায়ী এপ্রিল মাসে হওয়া এই কৌশলগতভাবে নির্দেশিত অস্ত্রের উৎক্ষেপণ কিম জং-উন নিজে তদারকি করেছেন। পরীক্ষাতে ‘বিভিন্ন লক্ষ্যবস্তুতে বিবিধ পদ্ধতিতে মিসাইল ছোড়ার’ বিষয়টি যাচাই করা হয়। বিশেষজ্ঞরা ধারণা করছেন এই অস্ত্রটি ভূ-পৃষ্ঠ, সাগর এবং বায়ু তিন মাধ্যম থেকেই উৎক্ষেপণ করা সম্ভব। এই অস্ত্রটি মিসাইল কিনা তা নিয়ে এখনো সন্দেহ রয়েছে। তবে অধিকাংশ পর্যবেক্ষক মনে করেন যে, এটি একটি ছোট পরিসরের অস্ত্র ছিল।উল্লেখ্য, গত বছর কিম জং উন বলেছিলেন তারা পারমাণবিক অস্ত্রের পরীক্ষা চালাবে না এবং আন্তঃমহাদেশীয় ব্যালেস্টিক মিসাইল উৎক্ষেপণ বন্ধ করবে। তবে এই প্রতিশ্রুতি সত্যেও উত্তর কোরিয়ার পারমাণবিক কার্যক্রম চলছে বলেই ধারণা করা হচ্ছে। গত মাসেও স্যাটেলাইট থেকে পাওয়া ছবিতে উত্তর কোরিয়ার প্রধান পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির জায়গায় কাজ চলার আভাস পাওয়া গেছে। উত্তর কোরিয়া দাবি করে তারা এত ক্ষদ্র নিউক্লিয়ার বোমা তৈরি করেছে যা দীর্ঘ পরিসরের মিসাইল বা ব্যালেস্টিক মিসাইলে করে অনায়াসে যুক্তরাষ্ট্রের মূল ভূখণ্ডে আঘাত হানতে পারে।

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন

আরও