২০ হাজার মানুষের ভরসা ঝুঁকিপূর্ণ সাঁকো

মানবজমিন প্রকাশিত: ২০১৯-০৪-২৯ ০০:০০:০০

পাঁচ গ্রামের ২০ হাজার মানুষ ঝুঁকিপূর্ণ বাঁশের সাঁকো দিয়ে নদী পারাপার হচ্ছেন। জানা যায়, ফুলপুর উপজেলার পয়ারী ইউনিয়নের গুপ্তেরগাঁও (কালিবাড়ীঘাট) সংলগ্ন ব্রহ্মপুত্রে খড়িয়া নদীর ওপর স্থানীয়দের উদ্যোগে নির্মিত হয়েছে প্রায় ১৬০ ফুট দৈর্ঘ্যের বাঁশের সাঁকো। প্রায় পাঁচ বছর ধরে বাঁশের সাঁকো পারি দিয়েই চলচল করেন পাঁচ গ্রামের মানুষ। পাঁচ গ্রামের প্রায় ২০ হাজার মানুষ ঝুঁকিপূর্ণ বাঁশের সাঁকো পাড়ি দিয়ে উপজেলা সদরসহ দেশের বিভিন্নস্থানে যাতায়াত করছেন। স্কুল-কলেজের ছাত্রছাত্রীরাও  বাঁশের সাঁকো পাড়ি দিয়েই চলাচল করছেন।এলাকাবাসী স্থানীয় উদ্যোগে প্রায় পাঁচ বছর আগে নদীর ওপর ১৬০ ফুট দৈর্ঘ্যের একটি বাঁশের সাঁকো নির্মাণ করেন। তখন থেকে বাঁশের সাঁকো দিয়ে নদী পাড়ি দেয় পাঁচ গ্রামের মানুষ। এ নদীর ওপর পাকা সেতু না থাকায় উপজেলার পয়ারী ইউনিয়নের পাঁচ গ্রামের ২০ হাজার মানুষ যাতায়াতে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, মাধ্যমিক বিদ্যালয়, কলেজসহ কয়েক হাজার ছাত্রছাত্রী বর্ষাকালে নড়বড়ে বাঁশের সাঁকো দিয়ে ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় যাতায়াত করেন। প্রতিদিন পারাপার হচ্ছেন প্রায় দেড় হাজার মানুষ।গুপ্তেরগাঁও গ্রামের মো. আলাউদ্দিন ফকির বলেন, এখানে একটি ব্রিজ নির্মাণ না হওয়ায় এলাকার লোকজন ফুলপুর উপজেলা সদরের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ করতে পারছেন না। তাদের উৎপাদিত বিভিন্ন কৃষিপণ্য শহরে বাজারজাত করতে দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। কৃষকরা তাদের ন্যায্য দাম থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। একই কথা বলেন গুপ্তেরগাঁও গ্রামের মো. আনারুল হক, আব্দুল্লাহ ও আব্দুল খালেক। শুকনো মৌসুমে নদীতে পানি কম থাকায় ছেলে-মেয়েরা ঝুঁকি নিয়ে বাঁশের সাঁকো দিয়ে বিদ্যালয়ে আসতে পারলেও বর্ষা মৌসুমে বেশি ঝুঁকি নিয়ে পারাপার করতে হয়।এলাকাবাসীর দাবি নদীর ওপর ব্রিজ নির্মাণ করা হলে লোকজনের উৎপাদিত পণ্য উপজেলা সদরে নিয়ে যাওয়া এবং উপজেলা সদর থেকে কোনো পণ্য নিয়ে আসা সহজ হবে। এ বিষয়ে পয়ারী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. মফিদুল ইসলাম বলেন, এ এলাকার মানুষের জন্য ব্রিজ নির্মাণ করা জরুরি।

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন

আরও