কুইক লিঙ্ক : মুজিব বর্ষ | করোনা ম্যাপ | করোনা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাব

আওয়ামী লীগ-বিএনপি’র একক প্রার্থী, স্বতন্ত্র প্রার্থী আওয়ামী লীগ নেতা অচিন্ত্য মন্ডলও শক্ত প্রতিদ্বন্দ্বী

মানবজমিন প্রকাশিত: ২৭ নভেম্বর ২০২০, ০০:০০

পৌরসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে খুলনার চালনায় নির্বাচনী হাওয়া বইতে শুরু করেছে। ইতিমধ্যেই সম্ভাব্য মেয়র ও কাউন্সিলর প্রার্থীরা জোর তৎপরতা শুরু করেছেন। এবারের নির্বাচনে মেয়র পদে নৌকা ধানের শীষের পাশাপাশি স্বতন্ত্র হিসেবে সাবেক মেয়র অচিন্ত্য মন্ডল প্রতিদ্বন্দ্বীতায় থাকছেন। নির্বাচন কমিশনের ঘোষিত তফসীল অনুযায়ী আগামী ১লা ডিসেম্বর মনোনয়নপত্র দাখিল এবং ২৮শে ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত হবে চালনা পৌরসভার ভোট গ্রহণ।২০০৪ সালের ১৩ই নভেম্বর প্রতিষ্ঠিত চালনা পৌরসভায় ৩য় বারের মতো ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। ৯ দশমিক ৪৯ বর্গকিলোমিটার এলাকা নিয়ে গঠিত পৌরসভাটি ইতিমধ্যে ২য় শ্রেণিতে উন্নীত হয়েছে। এবারের নির্বাচনে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের প্রার্থী মনোনয়নে থাকছে না কোনো নতুন চমক। গত নির্বাচনে বিজয়ী প্রার্থী চালনা পৌর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সনত কুমার বিশ্বাসের নাম একক প্রার্থী হিসাবে দাকোপ উপজেলা ও চালনা পৌর আওয়ামী লীগের যৌথ সভায় তৃণমূলের সমর্থনে অনুমোদন হয়েছে। সে আলোকে নৌকার মনোনয়নের জন্য জেলার মাধ্যমে তার নামটি কেন্দ্রে যাচ্ছে বলে নিশ্চিত করেছেন উপজেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ আবুল হোসেন। গত নির্বাচনে তিনি নৌকা প্রতীকে মেয়র নির্বাচিত হয়েছিলেন।অপরদিকে, দাকোপ উপজেলা বিএনপি’র যৌথ সভায় দলের উপজেলা সভাপতি ও সাবেক পৌর প্রশাসক আবুল খায়ের খানকে একক প্রার্থী হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে। এছাড়াও মেয়র পদে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বীতায় থাকছেন সাবেক মেয়র ড. অচিন্ত্য কুমার মন্ডল। তিনি স্থানীয় আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী গ্রুপ সাবেক সংসদ সদস্য ননী গোপাল মন্ডলের অনুসারী। সঙ্গত কারণে ভোটের রাজনীতিতে তিনি নৌকার শক্ত প্রতিদ্বন্দ্বী। মেয়র পদের এই তিন প্রার্থীই এখন পর্যন্ত নিজেদের অনুসারী কর্মী-সমর্থক নিয়ে গণসংযোগ অব্যহত রেখেছেন।এছাড়া প্রতিটি ওয়ার্ডে কাউন্সিলর প্রার্থীরা গণসংযোগ প্রচার-প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছেন। সাধারণ ভোটাররা নির্বাচনকে সামনে রেখে সম্ভাব্য প্রার্থীদের অতীত বর্তমান কর্মকাণ্ডের চুলচেরা বিশ্লেষণ করছেন। অনেকে আবার নির্বাচনে অবৈধ অর্থের ছড়াছড়ির আশঙ্কা করছেন। যেটি যোগ্য প্রার্থীর বিজয়ে অনেক সময় অন্তরায় হিসেবে কাজ করে। অপরদিকে, বিএনপি ঘরানার ভোটাররা অবাধ, সুষ্ঠু নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়া নিয়ে কিছুটা শঙ্কায় আছেন। ভোট নিয়ে জানতে চাইলে ব্যবসায়ী নাসির উদ্দিন জুয়েল বলেন, সৎ, যোগ্য ও নিষ্ঠাবান প্রার্থীকেই বেছে নেবেন। আছাভূয়া এলাকার আনিসুর রহমান সৎ ও যোগ্য প্রার্থীকেই ভোট দেয়ার কথা বলেন।আব্দুল মান্নান নামক এক ভোটার বলেন, পরিবেশ নিয়ে বলার সময় এখনো আসেনি। কলেজছাত্র কিশোর বিশ্বাস উন্নয়নে সমবণ্টন এবং অন্যায়ের বিরুদ্ধে আপসহীন প্রার্থীকেই সমর্থনের কথা বলেন।সব মিলে এখন পর্যন্ত নির্বাচন নিয়ে সাধারণ ভোটাররা আশাবাদী। প্রার্থীরাও মনোনয়নপত্র দাখিলের শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতির পাশাপাশি ভোটারদের পক্ষে টানার চেষ্টা করছেন।খুলনার ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক স্কুল এন্ড কলেজের দশম শ্রেণির ছাত্রী বর্ষাকে ৯ দিনেও উদ্ধার করতে পারেনি পুলিশস্টাফ রিপোর্টার, খুলনা থেকে: খুলনা মহানগরীর খানজাহান আলী থানাধীন ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক স্কুল এন্ড কলেজের দশম শ্রেণির ছাত্রী বর্ষা (১৫) কে দুলাভাই কর্তৃক অপহরণের অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ব্যাপারে খানজাহান আলী থানায় দুলাভাইসহ ৫জনকে আসামি করে মামলা করেছে আসামির শাশুড়ী এবং স্ত্রী। এছাড়া আদালতে যৌতুকের মামলা হয়েছে। এ ব্যাপারে খানজাহান আলী থানায় মামলা দায়েরের ৯ দিন অতিবাহিত হলেও পুলিশ বর্ষাকে উদ্ধার করতে পারেনি।মামলার অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, খানজাহান আলী থানাধীন শিরোমণি পূর্বপাড়ার কাজী দিদারুল আলম ওরফে বাপ্পির কন্যা আফসানা মিমি বৃষ্টি (২০) এর সঙ্গে ফুলতলা থানাধীন মো. রুহুল আমিনের ছেলে এ এস আলফাজ আহম্মেদের সঙ্গে গত ১৮ই জুন বিয়ে হয়। বিয়ের সময় আলফাজ ওষুধ কোম্পানিতে চাকুরির কথা বললেও বিয়ের পরে জানা যায় সে ভবঘুরে বেকার এবং বিভিন্ন অসামাজিক কর্মকাণ্ডে লিপ্ত। বিষয়টি জানতে পেরে আফসানা মিমি বৃষ্টিকে তার মা বাড়িতে নিয়ে আসে। আলফাজ ফোনে তার স্ত্রী আফসানা মিমি বৃষ্টিকে না পাঠালে শ্যালিকা ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক স্কুল এন্ড কলেজের ১০ম শ্রেণির ছাত্রী ফারহানা তামান্না বর্ষার ক্ষতি করবে বলে হুমকি প্রদান করে। পরবর্তীতে গত ১৪ই নভেম্বর ফারহানা তামান্না বর্ষার কলেজে অ্যাসাইনমেন্ট জমা দিতে বাড়ি থেকে বের হওয়ার পর সকাল ১০টায় শিরোমণি পূর্বপাড়া তেতুলতলা থেকে তাকে অপহরণ করে সিএনজিযোগে নিয়ে যায়।এ ব্যাপারে খানজাহান আলী থানায় ফারজানা তামান্না বর্ষার মা বাদী হয়ে জামাই দামোদর গ্রামের আলফাজ আহম্মেদ (৩০), তার ভাই মো. জুয়েল (৩৩), পিতা মো. রুহুল আমিন সরদার (৬২), বড় ভাইয়ের স্ত্রী মোসা. রহিমা বেগম (২৫) এবং যশোর সদর থানার মো. সোহাগ হোসেন (৩৭) এর নামে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা দায়ের করেন।অপহৃত স্কুল ছাত্রী বর্ষাকে উদ্ধারে পিতা দিদারুল আলম র‌্যাব-৬ বরাবর লিখিত আবেদন করেছেন। অপরদিকে অভিযুক্ত আলফাজের বিরুদ্ধে তার স্ত্রী আফসানা মিমি বৃষ্টি বাদী হয়ে আদালতে যৌতুকের মামলা দায়ের করেছে।অভিযোগের সূত্রে জানা যায়, বিয়ের পর বিভিন্ন অজুহাতে ৪ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নেয় আলফাজ। পরবর্তীতে ব্যবসার জন্য আরো ৫ লক্ষ টাকা দাবি করে। দাবিকৃত টাকা না দেয়ায় স্ত্রী আফসানা মিমি বৃষ্টির ওপর অত্যাচার শুরু করে।এদিকে অপহরণের ঘটনায় গত ১৯শে নভেম্বর খানজাহান আলী থানায় ৫ জনকে আসামি করে অপহরণ মামলা হলেও পুলিশ এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত বর্ষাকে উদ্ধার করতে পারেনি।

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন

প্রতিদিন ৩৫০০+ সংবাদ পড়ুন প্রিয়-তে

এই সম্পর্কিত

আরও