গ্যাস সিলিন্ডার ঝুঁকিমুক্ত করতে হবে

ইনকিলাব প্রকাশিত: ২০১৯-১০-০২ ১৪:১০:৩০

প্রাকৃতিক গ্যাসের আভ্যন্তরীণ মজুদ কমে আসলেও দেশে গ্যাসের চাহিদা ক্রমে বেড়ে চলেছে। এই সুযোগে রমরমা হয়ে উঠেছে এলপি গ্যাস সিলিন্ডারের ব্যবসা। গৃহস্থালির রান্নার কাজে এলপিজি সিলিন্ডার ব্যবহারের পাশাপাশি যানবাহনে এলপিজি ব্যবহারের হারও দিন দিন বেড়ে চলেছে। সারাবিশ্বেই পেট্টোলিয়াম ও বিদ্যুতের পাশাপাশি এলপিজি ব্যবহারের হার বাড়ছে, সেই সাথে বাড়লে নবায়নযোগ্য জ্বালানীর ব্যবহার। তবে আমাদের দেশের মত এতটা ঝুঁকিপূর্ণভাবে বিশ্বের আর কোথাও এলপিজি সিলিন্ডার ব্যবহৃত হয় কিনা তা আমাদের জানা নেই। প্রায় প্রতিনিই দেশের কোথাও না কোথাও এলপি গ্যাসের সিলিন্ডার বিষ্ফোরিত হয়ে হতাহতের খবর পাওয়া যাচ্ছে। গতকাল ইনকিলাবে প্রকাশিত এক রিপোর্টে জানা যায়, ঢাকা মেডিকেল কলেজের বার্ণ ইউনিটে চিকিসারত রোগীদের শতকরা ৪২ ভাগই গ্যাসের আগুনে দগ্ধ রোগী। বার্ণ ইউনিটের সংশ্লিষ্টরা গড়ে প্রতিমাসে ৫০০ রোগী ভর্তির তথ্য দিয়েছেন। এটা শুধু ঢাকা মেডিকেলের বার্ণ ইউনিটের তথ্য। সারাদেশে এ সংখ্যা আরো অনেক বেশি। এসব রোগীর মধ্যে কিছু সিলিন্ডার বিষ্ফোরণের শিকার হলেও অনেকেই নিজেদের অসর্তকতার কারণে দুর্ঘটনার শিকার। গ্যাস লিকেজ হয়ে আগুন ধরে যাওয়া অথবা ত্রুটিপূর্ণ সিলিন্ডারের বিস্ফোরণে ক্ষয়ক্ষতির দায় সংশ্লিষ্ট গ্যাস কোম্পানী এবং মান নিয়ন্ত্রণকারী সংস্থাগুলো এড়াতে পারে না। দুর্ঘটনা ও মৃত্যুঝুঁকি নিয়ে মেয়াদোত্তীর্ণ ও মানহীন গ্যাস সিলিন্ডার বিক্রি করছে কোম্পানী ও এজেন্টরা।

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন

স্পন্সরড কনটেন্ট

আরও