শান্ত-আমিনুলের অভিষেক

মানবজমিন প্রকাশিত: ২০১৯-০৯-১৯ ০০:০০:০০

ত্রিদেশীয় টি-টোয়েন্টি সিরিজে গতকাল জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে অভিষেক হলো নাজমুল হোসেন শান্ত ও আমিনুল ইসলাম বিপ্লবের। ২১ বছর বয়সী শান্ত এর আগে বাংলাদেশের ক্যাপ মাথায় টেস্ট ও টি-টোয়েন্টি খেলেছেন। আর ২০ বছর বয়সী আমিনুলের জাতীয় দলে পদচারণা হলো টি-টোয়েন্টি দিয়ে। শান্ত-আমিনুলকে নিয়ে চলতি টি-টোয়েন্টি সিরিজে তিন বাংলাদেশি ক্রিকেটারের অভিষেক হলো। এর আগে ৬৪তম খেলোয়াড় হিসেবে সিরিজের প্রথম ম্যাচে অভিষেক হয় বাঁহাতি স্পিনার তাইজুল ইসলামের। অভিষিক্ত টি-টোয়েন্টি খেলোয়াড়ের ক্রম তালিকায় আমিনুল ৬৫ ও শান্ত ৬৬তম। নিজের অভিষেক ম্যাচে ওপেনিংয়ে ৪৯ রানের জুটি উপহার দেন শান্ত। তবে ব্যক্তিগত পারফরম্যান্সে অনুজ্জ্বল ছিলেন। লিটন দাসের সঙ্গে ওপেনিং নেমে ৯ বলে এক চারে ১১ রান করে আউট হন।হাই পারফরম্যান্স বিভাগ থেকে আসা আমিনুল মূলত মিডল অর্ডার ব্যাটসম্যান। তবে লেগস্পিনও করতে পারেন। গত ঢাকা প্রিমিয়ার লীগে বিকেএসপির হয়ে ৪০ গড়ে ৪৪০ রান করে সবার চোখে পড়েন আমিনুল। কিছুদিন আগে আফগানিস্তান ‘এ’ দলের বিপক্ষে ওয়ানডে সিরিজের শেষ ম্যাচে সুযোগ পেয়ে ২২ রান করার পাশাপাশি ২ উইকেট নেন আমিনুল। এরপর শ্রীলঙ্কা ইমার্জিং দলের বিপক্ষে সিরিজে তাকে লেগ স্পিনার হিসেবেই খেলানো হয়। তিনটি ওয়ানডেতে নিয়েছিলেন তিন উইকেট। তাকে দলে নেয়ার পর বিসিবির প্রধান নির্বাচক মিনহাজুল আবেদীন নান্নু বলেছিলেন, ‘আমরা মূলত লেগস্পিনার হিসেবেই আমিনুল বিপ্লবকে দলে রেখেছি। বলতে পারেন, সে আমাদের লেগস্পিন অপশন। সবচেয়ে বড় কথা দলে একজন লেগস্পিনরারের বড়ই অভাব। এখন তাই লেগব্রেক বোলার হিসেবে আমরা আমিনুল বিপ্লবকে বেছে নিয়েছি।’অনেকটা চমক উপহার দিয়েই টি-টোয়েন্টি দলে অন্তর্ভুক্ত করা হয় শান্তকে। যদিও ঘরোয়া টি-টোয়েন্টি লীগে নাজমুল হোসেন শান্তর রেকর্ড ভালো নয়। ৪০ ম্যাচে গড় ১৭.৬৬, পঞ্চাশোর্ধ্ব ইনিংস মাত্র একটি। ২০১৭ সালে হ্যাগলি ওভালে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে অভিষেক টেস্ট অভিষেক হয় শান্তর। অভিষেকের পর ২ টেস্টে ৪৮ রান করেছেন। আর ওয়ানেডতে ক্যারিয়ারের প্রথম ম্যাচ খেলেন গত বছর জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে। এখন পর্যন্ত ৩ ওয়ানডেতে করেছেন ২০ রান। শান্ত-আমিনুলের অভিষেকের দিনে ২ বছর পর টি-টোয়েন্টি প্রত্যাবর্তন হলো শফিউল ইসলামের। শেষবার নেমেছিলেন ২০১৭ সালে দক্ষিণ আফ্রিকা সফরে। ত্রিদেশীয় টি-টোয়েন্টি সিরিজের প্রথম ম্যাচে জিম্বাবুয়েকে ৩ উইকেটে হারায় বাংলাদেশ। পরের ম্যাচে আফগানিস্তানের কাছে ২৫ রানে পরাজিত হয় সাকিব আল হাসানের দল। জিম্বাবুয়ে নিজেদের দ্বিতীয় ম্যাচে আফগানদের কাছে ২৮ রানে হারে।

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন