রোহিঙ্গা সঙ্কটে কম্বোডিয়ার সহায়তা চাইলেন প্রধানমন্ত্রী

(প্রিয়.কম) রোহিঙ্গা সংকটের ‘টেকসই সমাধানে’ নিশ্চিত করতে কম্বোডিয়ার সহায়তা চাইলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা

৪ ডিসেম্বর সোমবার নমপেনে দুই দেশের দ্বিপক্ষীয় বৈঠকের পর কম্বোডিয়ার প্রধানমন্ত্রী হুন সেনের সঙ্গে এক বিবৃতিতে এ কথা বলেন শেখ হাসিনা।

বৈঠক শেষে যৌথ সংবাদ সম্মেলনে শেখ হাসিনা বলেন, ‘যদিও রোহিঙ্গাদের নিরাপদ প্রত্যাবাসনে মিয়ানমারের সঙ্গে আমাদের দ্বিপক্ষীয় আলোচনা অব্যাহত রয়েছে, তারপরও আমি এই সংকটের টেকসই সমাধানে সহায়তা নিয়ে এগিয়ে আসার জন্য (কম্বোডিয়ার) প্রধানমন্ত্রী হুন সেনের প্রতি আহ্বান জানাচ্ছি।’

নেমপেনের পিস প্যালেসে অনুষ্ঠিত যৌথ সংবাদ সম্মেলনে শেখ হাসিনা জানান, কম্বোডিয়ার প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকে এ অঞ্চল ঘিরে কিছু নিরাপত্তা চ্যালেঞ্জ নিয়ে তাদের মধ্যে আলোচনা হয়েছে এবং সন্ত্রাসবাদ ও চরমপন্থার বিরুদ্ধে লড়াইয়ে তারা দৃঢ় অঙ্গীকার ব্যক্ত করেছেন।

তিনি বলেন, ‘আমরা রোহিঙ্গা সংকট নিয়ে আলোচনা করেছি, যা আমাদের এ অঞ্চলে শান্তি ও স্থিতিশীলতার জন্য হুমকি তৈরি করেছে। বাংলাদেশ ১০ লাখেরও বেশি রোহিঙ্গাকে আশ্রয় দিয়ে যাচ্ছে, যাদের মধ্যে প্রায় সাত লাখ রোহিঙ্গা মিয়ানমারের সাম্প্রতিক সহিংসতা থেকে বাঁচতে পালিয়ে বাংলাদেশে আশ্রয় নিয়েছে।’

রোহিঙ্গা শরণার্থীদের নিরাপদে মিয়ানমারে প্রত্যাবাসনে বাংলাদেশ ও মিয়ানমার একত্রে কাজ করবে বলে যৌথ সংবাদ সম্মেলনে আশাবাদ ব্যক্ত করেন কম্বোডিয়ার প্রধানমন্ত্রী হুন সেন।

তিনি বলেন, ‘যদিও বাংলাদেশের নিজেদের জনসংখ্যাই ১৬ কোটির বেশি, তারপরও বাংলাদেশ রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দেওয়ায় আমরা তাদের সাধুবাদ জানাই। বাংলাদেশ শরণার্থী সমস্যাটিকে নিজেদের কাঁধে তুলেছে নিয়েছে।’

এর আগে দেশটির সঙ্গে নয়টি সমঝোতা স্মারক এবং একটি চুক্তি সই করেছে বাংলাদেশ। 

প্রসঙ্গত, ৩ রোববার ডিসেম্বর দুপুরে কম্বোডিয়ার প্রধানমন্ত্রী হুন সেনের আমন্ত্রণে তিন দিনের সরকারি সফরে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের একটি ভিভিআইপি ফ্লাইটে প্রধানমন্ত্রী ও তার সফর সঙ্গীদের নিয়ে নমপেন আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছায়। 

প্রিয় সংবাদ/আশরাফ