ছবি সংগৃহীত
বাবা-মার অশ্রু সিক্ত দোয়া নিয়ে আজও চলছি : মাওলানা মাহমুদুল হাসান
আপডেট: ১৩ ফেব্রুয়ারি ২০১৭, ১২:৩৬
মাওলানা মাহমুদুল হাসান। ছবি : সংগৃহীত
(প্রিয়.কম) মাওলানা মাহমুদুল হাসান- বাংলাদেশে ইলেকট্রনিক মিডিয়ার আলোকিত একজন ব্যক্তিত্ব। একাধারে তিনি একজন মিডিয়া ব্যক্তিত্ব, শিক্ষাবিদ, খতিব ও সমাজসেবক। তার পিতার নাম অধ্যাপক মাওলানা অব্দুল মালেক এবং মাতার নাম আনোয়ারা বেগম। ছারছীনা দারুছছুন্নাত জামেয়া ইসলামিয়া মাদরাসায় পড়াশুনা করার মাধ্যমে তার অধ্যয়নজীবনের সূচনা হয়। বর্তমানে তিনি জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগে আল- কুরআন বিষয়ে এমফিল সমাপ্ত করে পি-এইচ,ডি গবেষণারত আছেন। সম্প্রতি তিনি কথা বলেন প্রিয়.কমের সঙ্গে।
প্রিয়.কম : টিভি অনুষ্ঠান উপস্থাপনার শুরুটা কিভাবে?
মাওলানা মাহমুদুল হাসান : বাংলাদেশ বেতারের প্রভাতের ধর্মীয় অনুষ্ঠান পথ ও পাথেয় -এর মাধ্যমে মিডিয়ার ভূবনে আমার পদার্পণ। সময় গড়িয়েছে অনেক। এরপর এলো ইসলামিক টিভি। হাদিসে রাসূল (সা.) শীর্ষক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে ইসলামিক টিভিতে আমার ইসলামিক অনুষ্ঠানের যাত্রা শুরু। যেদিন আমার প্রথম অনুষ্ঠান প্রচারিত হয় আমার আব্বা ও আম্মা প্রচুর কান্না করেছিলেন। বাবা-মার অশ্রু সিক্ত দোয়া নিয়ে আজও চলছি নিরবধি ।
প্রিয়.কম : মিডিয়াতে এলেন কেন?
মাওলানা মাহমুদুল হাসান : ইসলাম একটি গতিশীল জীবন ব্যবস্থা। আধুনিক জ্ঞান-বিজ্ঞানের যুগে মানবজাতির সকল সমস্যার সমাধান ইসলাম দিতে অংঙ্গীকারাবদ্ধ। ইসলামি দাওয়ার ক্ষেত্রে আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার সময়ের দাবি। স্বল্প সময়ে মানুষের দোরগোড়ায় দাওয়াহ পৌঁছে দেয়ার শ্রেষ্ঠ মাধ্যম মিডিয়া। তাই সামান্য খিদমতের প্রয়াস।
প্রিয়.কম : আপনার প্রথম লেখা ও প্রথম অনুষ্ঠান?
মাওলানা মাহমুদুল হাসান : সাপ্তাহিক মুসলিম জাহানে ১৯৯৭ সালে প্রথম লেখা প্রকাশিত হয়। আমার প্রথম বই মহামুক্তির মাহে রমজান। প্রকাশিত হয়েছে ২০০৫ সালে। প্রথম রেডিও অনুষ্ঠান করেছি বাংলাদেশ বেতারে এবং প্রথম টিভি অনুষ্ঠান ইসলামিক টিভিতে।
প্রিয়.কম : ইসলাম ও মিডিয়ার মধ্যকার সম্পর্ক নিয়ে আপনার মতামত জানতে চাচ্ছি।
মাওলানা মাহমুদুল হাসান : ইসলাম ও মিডিয়ার সম্পর্ক বহুবিধ। আল্লাহ সুবহানাহু তায়ালা যুগে যুগে মানবজাতির মুক্তির জন্য মিডিয়া হিসাবে অসংখ্য নবী-রাসূল প্রেরণ করেছেন। স্রষ্ঠার সঙ্গে সৃষ্টির সুনিপুণ সম্পর্কের মাধ্যম হিসাবে সময়ের পরিবর্তনে আবিষ্কার হয়েছে আধুনিক প্রযুক্তি। ইলেকট্রনিক ও প্রিন্ট মিডিয়া অবশ্যই এ ক্ষেত্রে বহুমুখী কল্যাণ সাধন করতে পারে। একসময় ইসলামি দাওয়া পত্র-পল্লবে, চামড়ায়, হাড়ে সংরক্ষণ করা হতো এবং অন্যের নিকট পৌঁছানো হতো। কিন্তু আজ অতি সহজে স্বল্প সময়ে বিভিন্ন কথা মিডিয়ার কল্যাণে মানুষের কাছে পৌঁছানো সম্ভব। তাই মিডিয়ার সঠিক ব্যবহার করে দীন প্রচারের গতিকে আরো বেগবান করা সম্ভব ।
সম্পাদনা: গোরা