রবিবার সংসদে ‘২০২০ সালের ৩০ জুন সমাপ্য অর্থবছরের কার্যাদি নির্বাহের জন্য সংযুক্ত তহবিল হতে অর্থ প্রদান ও নির্দিষ্টকরণ বিল’ পাসের মাধ্যমে এই বাজেট গৃহীত হয়।

২০১৯-২০ অর্থবছরের বাজেট পাস

প্রিয় ডেস্ক
ডেস্ক রিপোর্ট
প্রকাশিত: ৩০ জুন ২০১৯, ১৫:৫৫
আপডেট: ৩০ জুন ২০১৯, ১৫:৫৫

(প্রিয়.কম) জাতীয় সংসদে ২০১৯-২০ অর্থবছরের জন্য ৫ লাখ ২৩ হাজার ১৯০ কোটি টাকার বাজেট পাস করা হয়েছে।

৩০ জুন, রবিবার দুপুরে অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল এটি পাসের জন্য সংসদে প্রস্তাব করেন। পরে তা কণ্ঠভোটে পাস হয়। এ সময় সংসদ সদস্যরা টেবিল চাপড়ে সমর্থন ও অভিনন্দন জানান।

রবিবার সংসদে, ‘২০২০ সালের ৩০ জুন সমাপ্য অর্থবছরের কার্যাদি নির্বাহের জন্য সংযুক্ত তহবিল হতে অর্থ প্রদান ও নির্দিষ্টকরণ বিল’ পাসের মাধ্যমে এই বাজেট গৃহীত হয়।

এর আগে সকালে স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে অধিবেশন শুরু হয়। বাজেটের ওপর ৫৯টি মন্ত্রণালয়ের অনুকূলে ৫৯টি দাবি উপস্থাপন করা হয়। দাবিগুলো সরকারি দলের সদস্যের কণ্ঠভোটে পাস হয়। তবে এসব দাবির ওপর ৯ জন সংসদ সদস্য ৫২০টি ছাঁটাই প্রস্তাব আনেন। ছাঁটাই প্রস্তাবগুলো কণ্ঠভোটে নাকচ হয়ে যায়। ছাঁটাই প্রস্তাব আনা ৯ জন এমপি হলেন−বেগম রওশন আরা মান্নান, পীর ফজলুর রহমান, মোকাব্বির খান, ফখরুল ইমাম, হারুনুর রশীদ, রুস্তম আলী ফরাজী, কাজী ফিরোজ রশীদ, বেগম রুমিন ফারহানা ও মুজিবুল হক চুন্নু। তারপর সংসদ সদস্যরা টেবিল চাপড়ে নির্দিষ্টকরণ বিল-২০১৯ পাসের মাধ্যমে ২০১৯-২০ অর্থবছরের বাজেট অনুমোদন করেন। বিলটি উথাপন ও পাস করার প্রস্তাব করেন অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল।

২০১৮ সালের ৩০ ডিসেম্বর নির্বাচনের মাধ্যমে টানা তৃতীয়বার ক্ষমতায় আসার পর সরকারের এই মেয়াদের প্রথম বাজেট এটি। অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামালেরও ঘোষিত প্রথম বাজেট এটি। গত অর্থবছরের মতো এবারও বিরোধীদলের সদস্যরা বাজেট আলোচনায় অংশ নেন।

গত ১৩ জুন থেকে ৩০ জুন পর্যন্ত সংসদ নেতা ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, বিরোধীদলীয় উপনেতা রওশন এরশাদ, অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল, অন্যান্য মন্ত্রীসহ সরকারি-বিরোধীদলের সদস্যরা সম্পূরক বাজেট ও মূল বাজেটের ওপর আলোচনায় অংশ নেন।

নতুন অর্থবছরের জন্য পাস হওয়া ৫ লাখ ২৩ হাজার ১৯০ কোটি টাকার বাজেট বিদায়ী ২০১৮-১৯ র্অথবছরের সংশোধিত বাজেটের চেয়ে ১৮ শতাংশ বেশি।

নতুন বাজেটে জিডিপির প্রবৃদ্ধি ধরা হয়েছে ৮ দশমিক ২ শতাংশ। মূল্যস্ফীতির ধরা হয়েছে ৫ দশমকি ৫ শতাংশ। উন্নয়ন ব্যয় ধরা হয়েছে ২ লাখ ১১ হাজার ৬৮৩ কোটি টাকা, যা বিদায়ী র্অথবছরের সংশোধিত উন্নয়ন বাজটেরে চেয়ে প্রায় ২২ শতাংশ বেশি।

নতুন বাজেটে পরিচালন ব্যয় ধরা হয়েছে ৩ লাখ ১০ হাজার ২৬২ কোটি টাকা। রাজস্ব আহরণের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ৩ লাখ ৭৭ হাজার ৮১০ কোটি টাকা। ভ্যাট থেকে রাজস্ব সংগ্রহ করা হবে ১ লাখ ২৩ হাজার ৬৭ কোটি টাকা। বাজেটে জিডিপির ঘাটতি ধরা হয়েছে ৫ শতাংশ।

প্রিয় সংবাদ/কামরুল/রুহুল

আরো পড়ুন