ছবিটি প্রতীকী, ইন্টারনেট হতে সংগৃহীত।

রমজান মাসেও বাড়ছে ওজন, জেনে নিন কীভাবে কমাবেন!

রুমানা বৈশাখী
বিভাগীয় প্রধান (প্রিয় লাইফ)
প্রকাশিত: ২৩ মে ২০১৯, ১২:৩৯
আপডেট: ২৩ মে ২০১৯, ১২:৩৯

(প্রিয়.কম) যদিও ইচ্ছে থাকে ওজনটা কিছু কমিয়ে ফেলার, কিন্তু হয় ঠিক বিপরীত। রমজানের সময়ে অনিচ্ছা সত্ত্বেও অনেকেরই ওজন কমার বদলে উল্টো বেড়ে যায়। খাবার খাচ্ছেন পরিমিত, রোজাও বাদ যাচ্ছে না একটিও। তাহলে কেন বাড়ছে আপনার ওজন? আর কীভাবেই বা এই ওজন কমাবেন? আজকের ফিচারে থাকছে রমজান মাসে ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখা বা কম করার একটি জাদুকরী কৌশল।

কম খাওয়া সত্ত্বেও কেন রমজান মাসে ওজন বাড়ে?

ওজন নিয়ন্ত্রণ করতে গিয়ে অনেকেই রমজান মাসে রাতের খাবারটি বাদ দিয়ে দেন। মনে করেন, এতেই চুকে যাচ্ছে ডায়েটিং এর পালা। তবে সত্যটা হলো, এতে আদতে বিশেষ কোন উপকার হচ্ছে না। কেন জানেন? কারণ নিরীহ ও সুস্বাদু ইফতারের চেহারায় আপনি আসলে ইতোমধ্যেই অনেকটা বাড়তি ক্যালোরি গ্রহণ করে ফেলেছেন।

হ্যাঁ, নিজের অজান্তেই এই ভুলটি আমরা সকলেই করি। ইফতারের শুরুই হয় আমাদের শরবত দিয়ে। একসাথে বেশ কয়েক রকমের শরবত বা পর পর কয়েক গ্লাস শরবত রমজানে সকলেরই সঙ্গী। এই শরবত গুলোতে আছে প্রচুর পরিমাণে চিনি, যা দেহের জন্যে খুবই ক্ষতিকারক ও ওজন বৃদ্ধির জন্যে দায়ী। অন্যদিকে সাধারণ ইফতার মানেই ভাজা-পোড়া কিংবা মিষ্টান্ন। এই সবই উচ্চ ক্যালোরি যুক্ত খাবার। ফলে একটু বেশি খেলেও তা ওজন কমাতে ভূমিকা রাখে বৈকি।

অন্যদিকে সারাদিন রোজা থাকার ফলে অনেকেরই ব্যায়াম করা হয়ে ওঠে না। ইফতারের পরেও ক্লান্তি এসে ভর করে, তাই ব্যায়ামের অংশটি বাদই রয়ে যায় এই সময়ে। এ ছাড়াও থাকে দাওয়াত কিংবা ইফতার পার্টি। সব মিলিয়ে রমজানে ওজন নিয়ন্ত্রণ প্রায় অসম্ভব।

কীভাবে কমাবেন ওজন?

ওজন নিয়ন্ত্রণের একটিই উপায় আর তা হচ্ছে আত্ম নিয়ন্ত্রণ। অর্থাৎ আপনাকে নিয়ন্ত্রণ করতে হবে খাওয়ার পরিমাণ ও ধরণ। চিনি যুক্ত শরবত খাওয়া একদম পরিহার করুন। বদলে বেছে নিন তাজা ফলের রস কিংবা ডাবের পানি। শরবত পান করলে সুগার ফ্রি দিয়ে পান করুন। ভাজাপোড়া জাতীয় খাবার একেবারেই বাদ দিন। বদলে বেছে নিন চিড়া, ওটস, সালাদ, মাংস বা ডিমের মতো খাবার। ইফতার যেহেতু দেরি করে, সেহেতু একবারেই রাতের খাবারের পালা চুকিয়ে নিন। প্রচুর পানি পান করুন, সেহেরিতেও বেছে নিন স্বাস্থ্যকর খাবার। আর সম্ভব হলে ঘরের মাঝেই সেরে নিন কিছু ফ্রি হ্যান্ড এক্সারসাইজ।

সুস্থ থাকুন। ভালো থাকুন।

প্রিয় লাইফ/আশরাফ

আরো পড়ুন