প্রতীকী ছবি

নির্ধারিত হারে অর্থ না আনা আইজিডব্লিউগুলোর কাছে ব্যাখ্যা চাইবে বিটিআরসি

প্রিয় ডেস্ক
ডেস্ক রিপোর্ট
প্রকাশিত: ১৯ মে ২০১৯, ১৩:৫৩
আপডেট: ১৯ মে ২০১৯, ১৩:৫৩

(প্রিয়.কম) নির্ধারিত হারে অর্থ না আনা ইন্টারন্যাশনাল গেটওয়েগুলোর (আইজিডব্লিউ) কাছে ব্যাখ্যা চাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি)।

জানা গেছে, এই তালিকায় রয়েছে সাত আইজিডব্লিউ অপারেটর। তারা আন্তর্জাতিক কল টার্মিনেশনের সর্বনিম্ন রেটের চেয়েও কম হারে বৈদেশিক মুদ্রা এনেছে এফসি অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে।

১৯ মে, রবিবার বিটিআরসির এক প্রতিবেদনের বরাত দিয়ে এ সংক্রান্ত সংবাদ প্রকাশ করে দেশের একটি দৈনিক

প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়, আইজিডব্লিউ’র মাধ্যমে গত সাড়ে তিন বছরে প্রায় সাত হাজার কোটি মিনিট কল এসেছে দেশে। প্রতি মিনিট কলে নির্ধারিত হারে বৈদেশিক মুদ্রাও আসার কথা। তবে আইজিডব্লিউগুলোর ফরেন কারেন্সি (এফসি) অ্যাকাউন্টের তথ্য যাচাই করে দেখা গেছে, এ সময়ে ব্যাংকিং চ্যানেলে প্রায় ৩০ কোটি ডলার কম অর্থ দেশে এনেছে প্রতিষ্ঠানগুলো।

এর মধ্যে সর্বোচ্চ রেটে নির্দিষ্ট পরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা এফসি অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে দেশে এনেছে মাত্র চারটি আইজিডব্লিউ। সর্বনিম্ন রেটের চেয়ে বেশি, কিন্তু সর্বোচ্চ রেটের কম হারে বৈদেশিক মুদ্রা এনেছে এমন আইজিডব্লিউ রয়েছে ১১টি।

এর বাইরে সর্বনিম্ন রেটের চেয়েও কম হারে বৈদেশিক মুদ্রা এনেছে সাতটি প্রতিষ্ঠান। এরা হলো- রুটস কমিউনিকেশনস, র‍্যাংকস টেলিকম, ফার্স্ট কমিউনিকেশনস, ভেনাস টেলিকম, মসফাইভ টেল, বাংলাদেশ ইন্টারন্যাশনাল গেটওয়ে লিমিটেড (বিআইজিএল) ও সিগমা টেলিকম। এই প্রতিষ্ঠানগুলোর কাছে ব্যাখ্যা চাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিটিআরসি।

কমিশন সূত্রের বরাত দিয়ে প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়, সাড়ে তিন বছরে সবচেয়ে বেশি কল এসেছে রুটস কমিউনিকেশনসের মাধ্যমে। তবে প্রতিষ্ঠানটির এফসি অ্যাকাউন্টের তথ্য ও প্রকৃত টার্মিনেশনের মধ্যে ৮ কোটি ৯৯ লাখ ডলারের পার্থক্য রয়েছে।

প্রিয় প্রযুক্তি/রুহুল