গ্রামীণফোনের কার্যালয়। ছবি: সংগৃহীত

কলচার্জ বাড়ানোর বিষয়ে নির্দেশনা পায়নি গ্রামীণফোন

রাকিবুল হাসান
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ১৮ এপ্রিল ২০১৯, ১৮:১৪
আপডেট: ১৮ এপ্রিল ২০১৯, ১৮:১৪

(প্রিয়.কম) সিগনিফিকেন্ট মার্কেট পাওয়ার (এসএমপি) বা তাৎপর্যপূর্ণ বাজার ক্ষমতাধরের তকমা পাওয়া গ্রামীণফোনের কলরেট বাড়ানোর সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে জানিয়েছে দেশের বেশ কয়েকটি গণমাধ্যম।

প্রকাশিত সংবাদগুলোতে বলা হয়, সম্প্রতি টেলিযোগাযোগ মন্ত্রণালয়ের বৈঠকে কলচার্জ বৃদ্ধির বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিয়েছে নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিটিআরসি

গণমাধ্যমে প্রকাশিত এমন খবরের বিষয়ে গ্রামীণফোনের সঙ্গে যোগাযোগ করলে অপারেটরটি জানিয়েছে, তারা এ বিষয়ে নিয়ন্ত্রক সংস্থা থেকে কোনো নির্দেশনা পায়নি।

প্রতিষ্ঠানটি আরও জানিয়েছে, পরবর্তীতে নির্দেশনা হাতে পেলেও যাচাই-বাছাইয়ের জন্য গ্রামীণফোন সময় পাবে ১৫ দিন।

এ বিষয়ে গ্রামীণফোনের হেড অব এক্সটার্নাল কমিউনিকেশন্স কমিউনিকেশন্স সৈয়দ তালাত কামাল প্রিয়.কমকে বলেন, ‘আমরা এখনো কোনো নির্দেশনা হাতে পাইনি।’

তার দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, এ ধরনের নির্দেশনা হাতে পাওয়ার পর যাচাই-বাছাইয়ের জন্য ১৫ দিন সময় পাবে গ্রামীণফোন। এরপর সবশেষে কিছু একটি হলে হতে পারে।

‘আগে বিটিআরসিকে তো ওই নির্দেশনা দিতে হবে। এখনো দেয়নি তারা’, যোগ করেন তালাত কামাল।

এর আগে চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে গ্রামীণফোনকে এসএমপি বা মার্কেট লিডার হিসেবে ঘোষণা দেয় বিটিআরসি। এর প্রায় ৯ দিন পর অপারেটরটির প্রতি কয়েকটি শর্ত বেঁধে দেয় বিটিআরসি।

এর মধ্যে ছিল—অন্য কোনো প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে স্বতন্ত্র এবং একক স্বত্ত্বাধিকার চুক্তি করতে পারবে না গ্রামীণফোন, কোনোভাবেই মাসে কল ড্রপের সর্বোচ্চ হার ২ শতাংশের বেশি হতে পারবে না, এমএনপি লকের ক্ষেত্রে মেয়াদ হবে ৩০ দিন এবং দেশব্যাপী কোনো ধরনের মার্কেট কমিউনিকেশন করা যাবে না।

বিটিআরসির এ নির্দেশনা চ্যালেঞ্জ করে উচ্চ আদালতে রিট দায়ের করা হয়। রিটের শুনানি শেষে আদালত গ্রামীণফোনের বিজ্ঞাপন প্রচারসংক্রান্ত বিধি-নিষেধ স্থগিতের আদেশ দেয়।

প্রিয় প্রযুক্তি/আজাদ চৌধুরী

আরো পড়ুন