(প্রিয়.কম) মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে চলমান সেনা অভিযানের বর্বরতা ও গণহত্যা থেকে বাঁচতে বিভিন্ন সীমান্ত দিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে প্রায় ৩ লাখ রোহিঙ্গা। ক্ষতিগ্রস্ত রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীকে মানবিক সহায়তা দেওয়া ও সহায়তা পৌঁছানোর জন্য বাংলাদেশের অব্যাহত প্রচেষ্টার প্রশংসা করেছে যুক্তরাষ্ট্র।

০৯ সেপ্টেম্বর শনিবার মার্কিন পররাষ্ট্র দফতরেরর এক বিবৃতিতে এ প্রশংসা করা হয়েছে। বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ‘ভুক্তভোগী (পালিয়ে আসা) রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর কাছে সহায়তা পৌঁছানো নিশ্চিত করতে বাংলাদেশ সরকারের অব্যাহত প্রচেষ্টারও প্রশংসা করছে যুক্তরাষ্ট্র।’

বাংলাদেশের প্রচেষ্টার প্রশংসা যুক্তরাষ্ট্রের।

বাংলাদেশের প্রচেষ্টার প্রশংসা করে যুক্তরাষ্ট্রের বিবৃতি। ছবি: সংগৃহীত

বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, শরণার্থী রোহিঙ্গাদের জরুরি সহায়তা দিতে যুক্তরাষ্ট্র জাতিসংঘের শরণার্থীবিষয়ক সংস্থা, আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থা, রেডক্রসসহ অংশীদারদের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে সমন্বয় করছে। ২০১৬ সালের অক্টোবর থেকে বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গাদের জন্য প্রায় ৬৩ মিলিয়ন ডলার মানবিক সহায়তা দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র সরকার।

এ ছাড়া ‘গত দুই সপ্তাহে প্রায় ২ লাখ ৭০ হাজার রোহিঙ্গা বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে’ জাতিসংঘের শরণার্থী বিষয়ক সংস্থা ইউএনএইচসিআর’র দেওয়া এমন তথ্যে উদ্বেগও প্রকাশ করেছে যুক্তরাষ্ট্র।

এদিকে একতরফা ভাবে ১০ সেপ্টেম্বর রোববার থেকে এক মাসের জন্য অস্ত্রবিরতির ঘোষণা দিয়েছে মিয়ানমারের রোহিঙ্গা মুসলমান বিদ্রোহী আরসা বা আরাকান রোহিঙ্গা স্যালভেশন আর্মি।

৯ সেপ্টেম্বর শনিবার এক বিবৃতিতে মিয়ানমারের রোহিঙ্গা মুসলমান বিদ্রোহীরা বলেছে, ‘তারা রাখাইনে মানবিক সংকট বিবেচনায় এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে এবং তারা আশা করছে মিয়ানমারের সেনাবাহিনীও সেখানে অস্ত্রবিরতি করবে।’

প্রিয় সংবাদ/শিরিন