(প্রিয়.কম) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম টুইটারে পর্নো ভিডিও দেখে ও তাতে ‘লাইক’ দিয়ে সমালোচনার মুখে পড়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের আস্থাভাজন সিনেটর টেড ক্রুজ। যুক্তরাষ্ট্রের বিভীষিকাময় টুইন টাওয়ারে সন্ত্রাসী হামলার দিবস ‘নাইন-ইলেভেন’র দিনে তিনি এ ঘটনা ঘটিয়েছেন। আর এতে ক্ষুব্ধ হয়ে সিনেটরকে সমালোচনার তীরে বিদ্ধ করছেন মার্কিনীরা।

সংবাদমাধ্যম সিএনএন-এর এক প্রতিবেদনে বলা হয়, ১২ সেপ্টেম্বর মঙ্গলবার স্থানীয় সময় সকালে টেড ক্রুজ টুইটারে ‘সেক্সুয়াল পোস্ট’ নামক অ্যাকাউন্ট থেকে পোস্ট করা দুই মিনিটের পর্নো ভিডিওটি দেখেছেন। এরপর ওই ভিডিও পোস্টে লাইকও দিয়েছেন তিনি। যদিও টুইটার প্ল্যাটফর্মে পর্নোগ্রাফি পোস্ট করা নিষিদ্ধ।

সিনেটর টেড ক্রুজ। ছবি: সংগৃহীত

সিনেটর টেড ক্রুজ। ছবি: সংগৃহীত

সংবাদমাধ্যমটির প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, সিনেটর টেড ক্রুজ পর্নো ভিডিওটি দেখে লাইক দেন। এতে তার হাজারো ফলোয়ারের কাছে নোটিফিকেশন ও পর্নো ভিডিওটি চলে যায়। আর এতে ঘটনাটি মুহূর্তেই ভাইরাল হয়ে যায়।

সমালোচনাকারীদের অনেকেই বলেছেন, নাইন-ইলেভেনে নিহত ব্যক্তিদের প্রতি সম্মান জানানোর দিনে টুইটারে বসে পর্নো দেখছেন সিনেটর। এ নিয়েই শুরু হয় বিতর্ক। 

এ বিষয়ে সিনেটর টেড ক্রুজ বলেন, টুইটারে তার অ্যাকাউন্টটি বেশ কয়েকজন সহকারী পরিচালনা করেন। তাদেরই কেউ একজন ভুল করে লাইক দিয়েছেন। তিনি আরও বলেন, এটা অসাবধানতাবশত একটি ভুল। ইচ্ছাকৃতভাবে এটা করা হয়নি। তবে অনিচ্ছাকৃত ভুল হলেও ঘটনাটি কে ঘটিয়েছে তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

পরে টেড ক্রুজের জ্যেষ্ঠ যোগাযোগ উপদেষ্টা ক্যাথেরিন ফ্রেজিয়ার এক টুইট বার্তায় বলেন, টেড ক্রুজের অ্যাকাউন্ট থেকে ওই অশালীন পোস্টটি সরিয়ে ফেলা হয়েছে এবং এ বিষয়ে টুইটার কর্তৃপক্ষকে রিপোর্ট করা হয়েছে।’

প্রসঙ্গত, পর্নোগ্রাফির সঙ্গে টেড ক্রুজের সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ নতুন কিছু নয়। সর্বশেষ নির্বাচনের সময় ফ্লোরিডার সিনেটর মার্কো রুবিওকে আক্রমণ করে পোস্ট করা একটি পর্নো বিজ্ঞাপন কঠোর সমালোচনার মুখে প্রত্যাহার করে নিতে বাধ্য হয়েছিলেন ক্রুজ। তিনি নারীর শরীরের স্বাধীনতার পক্ষেও নিয়মিত ভোট প্রদান করেন। তা ছাড়া ২০০৭ সালে যৌন খেলনা বন্ধের চেষ্টা করেও তা কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে পাশ করাতে পারেননি।