(প্রিয়.কম) গত ১১ আগস্টে রাখাইন রাজ্যে সেনা মোতায়েনের পর মিয়ানমারের সেনাবাহিনী খুন, ধর্ষণ, ঘরবাড়ি পুরিয়ে দেওয়া, কুপিয়ে হত্যাসহ বর্বরতার চূড়ান্ত সীমাও অতিক্রম করেছে বলে অভিযোগ করেছে নিউইয়র্ক ভিত্তিক মানবাধিকার সংস্থা হিউম্যান রাইচ ওয়াচ।

সহিংসতা শুরু হওয়ার পর থেকে এখন পর্যন্ত প্রায় ৬ লাখ ৪০ হাজার রোহিঙ্গা সীমান্ত পাড়ি দিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে। আর রোহিঙ্গা সঙ্কট শুরুর পর প্রথমবারের মতো রাখাইন অঞ্চল সফরে গিয়েছেন দেশটির নেত্রী অং সান সু চি।

মিয়ানমার সরকারের একজন মুখপাত্র বার্তা সংস্থা এএফপিকে জানিয়েছেন, ‘সু চি বর্তমানে রাখাইনের সিটুয়ে-তে অবস্থান করছেন। একদিনের সফরে রাখাইনের দুটি শহর পরিদর্শন করবেন তিনি।’

রাখাইনের যে এলাকা থেকে বেশিরভাগ রোহিঙ্গা মুসলমান বাংলাদেশে পালিয়ে গেছে এ রকম একটি এলাকা সফর করবেন সু চি। এরপর তিনি মংডু এবং বুথিডং এলাকা সফর করবেন। এ দুটো এলাকায় সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং সেখান থেকে হাজার-হাজার রোহিঙ্গা মুসলমান প্রাণ বাঁচাতে বাংলাদেশে পালিয়ে গেছে।

তবে রাখাইন সফরে যাবার আগে কোন ঘোষণা দেননি সু চি। আর তার সফর সম্পর্কে বিস্তারিত কিছু জানাতে চায়নি সু চির দফতর। বিশ্লেষকরা মনে করেন, সেনাবাহিনীর দিক থেকে হুমকি আসতে পারে, এমন আশংকায় সু চি তাদের কর্মকাণ্ডের সমালোচনা করতে চান না।

গত বুধবার সু চির একজন মুখপাত্র অভিযোগ করেছেন, বাংলাদেশের জন্যই রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনের কাজে দেরি হচ্ছে। তিনি দাবি করেছেন, রোহিঙ্গা শরণার্থীদের জন্য আর্ন্তজাতিক দাতাগোষ্ঠীগুলোর কাছ থেকে লাখ লাখ ডলার পাওয়ার আশায় রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়ায় দেরি করছে বাংলাদেশ।

সূত্র: বিবিসি বাংলা

 

প্রিয় সংবাদ/শিরিন